নয়া দিল্লি: নিত্যদিনের খাদ্য সুরক্ষা নিয়ে এবার উঠছে বড় প্রশ্ন। দইয়ে পচা গন্ধ, ঘি-এর জারে মাছি মরে আছে, এসব দেখে চোখ কপালে ওঠার জোগাড়। এরপর ওই খাদ্য দ্রব্য বয়কটের ডাক ওঠে। ঘটনাটি ঘটেছে তেলঙ্গানার একটি সংস্থায়। খাদ্য নিরাপত্তা কমিশনারের মতে, সংস্থাটি বেশ কয়েকটি খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা লঙ্ঘন করেছে৷ খাদ্য প্রক্রিয়াকরণে যথেষ্ট সুরক্ষা না নিয়েই এই কাজ করে চলেছে তাঁরা। 

দুগ্ধজাত পণ্য তৈরি করা ওই সংস্থার দফতরে হানা দিতেই চক্ষু চড়কগাছ অফিসারদের।  ঘরে ঢুকতে দেখা যায়, সাড়ি সাড়ি দই, ঘি এর কন্টেনার। খাদ্য সামগ্রীর কাছে মৃত টিকটিকি, মাকড়সা যেমন রয়েছে তেমন দুগ্ধজাত এই খাদ্য সামগ্রী মানও নিম্নমানের। এরপর খোঁজ নিতেই দেখা যায় ওই সংস্থা পেস্ট কন্ট্রোল নিয়েও কোনও সার্টিফিকেট নেয়নি। 

যেভাবে ওই দ্রব্যগুলিকে তৈরি করা হচ্ছে সেই ব্যবহার্য জিনিষপত্র অপরিষ্কার, কোনটিতে মরচে ধরা। খাবারে লেবেলিংও ঠিক মতো করা হয়নি। জানা গিয়েছে এই প্রথম নয়, এর আগেও দুগ্ধজাত পণ্যে ছত্রাক পাওয়া গিয়েছিল। নষ্ট হয়ে গেছিল বহু খাবার। প্রায় ৭২০ কেজি দই ফেলে দেওয়া হয়েছিল। এবার অবশ্য প্রায় ১৭০০ কেজি দই আটক করা হয়েছে। 

তেলঙ্গানার ফুড সেফটি কমিশনার নিজের অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডেলে এই তথ্য জানিয়ে বাজেয়াপ্ত সামগ্রীর ছবি শেয়ার করেছেন। 

টাস্ক ফোর্স আরও জানান হয়েছে, সংগৃহীত নমুনাগুলি পরীক্ষাগারে বিশ্লেষণের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস (এফএসএস) অ্যাক্ট, ২০০৬ এবং এফএসএস বিধি ও বিধান, ২০১১-এর বিধান অনুসারে আরও ব্যবস্থা নেওয়া হবে ওই সংস্থার বিরুদ্ধে। 

তেলেঙ্গানার খাদ্য নিরাপত্তা কমিশনার জানিয়েছেন, ওই সংস্থার বিরুদ্ধে খাবার সংরক্ষণে একাধিক পরিকাঠামোগত ত্রুটি সামনে এসেছে। খাদ্য সামগ্রী তৈরির কাঁচামাল নোংরা জায়গায় পড়ে থাকতেও দেখা গিয়েছে একাধিক জায়গায়। যা খাদ্য নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘন করেছে। 

 

 

আপনার পছন্দের খবর আর আপডেট এখন পাবেন আপনার পছন্দের চ্যাটিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটস অ্যাপেও। যুক্ত হোন ABP Ananda হোয়াটস অ্যাপ চ্যানেলে