রাজর্ষি দত্তগুপ্ত, নয়াদিল্লি:  ভারতীয় সেনার ওয়েবসাইটে হানার পর ফের সাইবার হানার চেষ্টা পাকিস্তানের ! পাক-স্পনসর্ড হ্যাকার গ্রুপের তথ্য চুরির চেষ্টা, বানচাল করল ভারত। নাগরোটার আর্মি পাবলিক স্কুল ও সুঞ্জুওয়ানের ওয়েবসাইট হ্যাক করে পহেলগাঁও হামলায় আক্রান্তদের কাছে প্রচারের চেষ্টা। সাইবার হানার নেপথ্যে পাকিস্তানের সাইবার গ্রুপ হোক্স ১৩৩৭ এবং ন্যাশনাল সাইবার ক্রু নামের সংগঠন।  

আরও পড়ুন, জঙ্গিদের খোঁজে কাশ্মীরে চিরুনি তল্লাশি, হাই অ্যালার্ট জারি এই এলাকাগুলিতে ! 'একটা জরুরি ঘোষণা শুনুন..'

সামরিক শক্তির দিক থেকে কোনও তুলনায় আসে না পাকিস্তান। পাকিস্তান খুব ভাল করে জানে, ভারতের থেকে তুলনামূলকভাবে তারা অত্যন্ত পিছনে অবস্থান করছে। সেই কারণেই তারা একদিকে যেমন অনেকরকমের কথা বলে,  অন্যরকম আবহ তৈরি করার চেষ্টা করছে।পাকিস্তানের সাধারণ নাগরিকদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। আন্তর্জাতিক মহলে, তারা 'কিছুই করেনি' , এমনভাবে কথা বলে সাধু সাজার চেষ্টা করছে। আর অন্যদিকে, তারা সমর শক্তিতে পেরে উঠতে পারবে না ভেবে,  তারা বিভিন্নভাবে এই হ্যাকারদের দিয়ে এই সাইবার অ্যাটাক করাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এইগুলির মধ্য দিয়ে তারা জানার চেষ্টা করছে, সামরিক শক্তিতে ভারতের গতিবিধি কী ? অর্থাৎ এই মুহূর্তে কী করতে চলেছে নরেন্দ্র মোদি সরকার ? অন্যদিকে, এই ওয়েবাসাইটগুলিকে হ্যাক করে, কিছু বিভ্রান্তমূলক তথ্য ছড়িয়ে দিতে চাইছে। 

পহেলগাঁওয়ে হত্য়ালীলার পর প্রত্যাঘাতের দাবি দেশজুড়ে। তিন বাহিনীও বুঝিয়ে দিচ্ছে তারা আঘাত হানতে প্রস্তুত। নরেন্দ্র মোদি আশ্বাস দিচ্ছেন, কল্পনাতীত শাস্তি হবে। বিরোধীরাও জোটবদ্ধ হয়ে পাকিস্তানকে জবাব দেওয়ার পক্ষে!প্রত্যাঘাতের আশঙ্কায় কাঁপছে পাকিস্তানও। অজ্ঞাতবাস নিয়ে হইচই পড়ে যাওয়ার পর আচমকা প্রকাশ্য়ে এসে পাকিস্তানের সেনাপ্রধানও বোঝানোর চেষ্টা করছেন তাঁরা প্রস্তুত। এদিকে, পহেলগাঁও সন্ত্রাসের ১১ দিন পরেও অধরা হামলাকারী জঙ্গিরা।  কিন্তু কোনওভাবেই কাউকে যে ছাড়া হবে না, তা স্পষ্ট করে দিয়ে জঙ্গিদের খোঁজে উপত্যকাজুড়ে চলছে চিরুনি তল্লাশি। বিভিন্ন জঙ্গলে ও দুর্গম এলাকায় যৌথ অভিযান চালাচ্ছে ভারতীয় সেনা ও জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ। শ্রীনগরের আকাশ দিয়ে দক্ষিণ কাশ্মীরের দিকে ঘন ঘন উড়ছে সেনাবাহিনীর চপার! শুক্রবারও উপত্যকায় রয়েছেন NIA-র ডিজি সদানন্দ দাতে। এদিনও তিনি যান ঘটনাস্থলে। জরুরি বৈঠক করেন তদন্তকারী আধিকারিকদের সঙ্গে। আজকে NIA-র DG-র দ্বিতীয় দিন। গতকাল তিনি এলাকায় যান। জরুরি বৈঠক করেন। জঙ্গিদের পাকড়াও করার জন্য সব রকম তথ্য হাতে পেতে, অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করছে NIA.