নয়াদিল্লি: চলছে কংগ্রেসের ভারত জোড়ো যাত্রা। তামিলনাড়ু (Tamilnadu) থেকে কংগ্রেসের যে কর্মসূচি শুরু হয়েছিল তা এখন রয়েছে কেরলে (Kerala)। ১৩ সেপ্টেম্বর ৬ নম্বর দিনে পড়েছে কংগ্রেসের এই দীর্ঘ কর্মসূচি। 


চলছে পদযাত্রা:
মঙ্গলবার কেরলের তিরুঅনন্তপুরমের কন্যাপুরম থেকে থেকে শুরু হয়েছে পদযাত্রা। সোমবারই প্রায় সাড়ে তিন হাজার কিলোমিটারের এই পদযাত্রার ১০০ কিলোমিটার পূরণ করে টুইট করেছিলেন রাহুল গাঁধী (Rahul Gandhi)।



গত রবিবার সন্ধেয় তামিলনাড়ু থেকে কেরলে ঢুকেছে কংগ্রেসের এই ভারত জোড়ো যাত্রা (Bharat Jodo Yatra)। প্রথম থেকেই এই কর্মসূচিতে সাড়া পেয়েছে কংগ্রেস (Congress)। তামিলনাড়ুর শাসক দল ডিএমকে কংগ্রেসের জোটসঙ্গী। ভারত জোড়ো যাত্রার সূচনার দিন খোদ উপস্থিত ছিলেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী। কেরলে বাম সরকার রয়েছে। সেখানেও উচ্ছ্বাস দেখা গিয়েছে কংগ্রেসের এই মিছিল ঘিরে। ২০২৪ সালেই পরবর্তী লোকসভা নির্বাচন। তার আগে দেশব্যাপী এই কর্মসূচি নিয়েছে কংগ্রেস। বিজেপির বিরুদ্ধে বিভাজনের রাজনীতির অভিযোগ তুলে এই কর্মসূচি শুরু করেছে কংগ্রেস। সংবাদ সংস্থার খবর অনুযায়ী এই কর্মসূচি চলাকালীন কন্টেনারে থাকবেন রাহুল গাঁধী। সেই কন্টেনারে থাকবে বিছানা, শৌচাগার এবং এসি। ওই কর্মসূচির সময় কোনও নেতা হোটেলে থাকবেন না বলেও খবর। 


বিজেপিকে নিশানা:
যাত্রার মাঝে বিভিন্ন সভাও করছেন রাহুল। মূলত বেকারত্ব, মূল্যবৃদ্ধি নিয়েই সরব হতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। বিজেপির বিরুদ্ধে ঘৃণার রাজনীতির অভিযোগও তুলেছেন। তাঁর দাবি, ঘৃণার রাজনীতি, হিংসার রাজনীতি করে নির্বাচনে জেতা গেলেও তা দিয়ে দেশের সামাজিক-অর্থনৈতিক সমস্যা মেটানো যায় না। এর আগে টি শার্টে 'চাকরি চাই' লিখে রাহুল গাঁধীর সঙ্গে এই পদযাত্রায় সামিল হতে দেখা গিয়েছিল একঝাঁক যুবককে। কেরলের পদযাত্রায় রাহুলের সঙ্গে দেখা যাচ্ছে শিশুদেরও। 


৭ সেপ্টেম্বর তামিলনাড়ুর কন্য়াকুমারী থেকে শুরু হয়েছে এই পদযাত্রা। মোট ১২টি রাজ্য ও ২টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের উপর দিয়ে এই পদযাত্রা যাবে। ১০ সেপ্টেম্বর কেরলে ঢুকেছে এই পদযাত্রা। কেরলের উপর দিয়ে মোট সাতটি জেলাকে ছুঁয়ে মোট ৪৫০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করবে ভারত জোড়ো যাত্রা। তারপর ১ অক্টোবর কর্নাটকে ঢোকার কথা এই পদযাত্রার। 


সিপিএমের কটাক্ষ:
কংগ্রেসের এই যাত্রার দিনক্ষণ নিয়ে কটাক্ষ ছুড়েছে সিপিএম। তাদের দাবি, বামশাসিত কেরলে ১৮ দিন কর্মসূচি চালাবেন রাহুল গাঁধী। কিন্তু বিজেপি শাসিত উত্তরপ্রদেশে সেই যাত্রা মাত্র ২ দিন। বিজেপি-আরএসএস-কে রুখতে এমন লড়াই? কটাক্ষ সিপিএমের।      


আরও পড়ুন: কল্যাণী এইমস নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় CID-তে আস্থা, CBI-আবেদন খারিজ হাইকোর্টের