নয়াদিল্লি: সাগরে হঠাৎ আগুন ধরে গেল জাহাজে। প্রাণে বাঁচতে উত্তাল সাগরেই ঝাঁপ দিতে শুরু করলেন যাত্রীরা। ভয়ঙ্কর ঘটনা ইন্দোনেশিয়ায়। জাহাজে ২৭১ জন যাত্রী সওয়ার ছিলেন। এখনও পর্যন্ত পাঁচ জনের মৃত্য়ুর খবর মিলছে। নিখোঁজ কমপক্ষে ৪১ জন। হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা। (Indonesia Ship Fire)
রবিবার ইন্দোনেশিয়ার মাদুরা আইল্যান্ডের অদূরে জাভা সাগরে জাহাজটিতে আগুন লাগে। সুরাবায়া থেকে মকস্সর যাচ্ছিল জাহাজটি। সেই সময় হঠাৎই আগুন ধরে যায়। এই মুহূর্তে জোর কদমে উদ্ধারকার্য চলছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ২২৫ জনকে উদ্ধার করা গিয়েছে। এখনও খোঁজ নেই ৪১ জনের। প্রাণ হারিয়েছেন পাঁচ জন। (Indonesia Ferry Fire)
সোশ্যাল মিডিয়ায় যে ভিডিও সামনে এসেছে, তাতে দাউদাউ করে আগুন জ্বলতে দেখা গিয়েছে। কালো ধোঁয়া ছাড়া কিছুই চোখে পড়ছিল না। একটা সময় পর দেখা যায়, জাহাজের উপর থেকে উত্তাল সাগরে ধাঁপ দিচ্ছেন পর পর বেশ কয়েক জন। জাহাজের গায়ে ঝুলতে থাকা মই বেয়েও নেমে আসেন কয়েক জন।
আরও পড়ুন: চিপসের প্যাকেটে সারপ্রাইজ, মুখে দিতেই…বেঘোরে মৃত্যু শিশুর
আগুন লাগার পর জাহাজের ক্যাপ্টেনই ফোন করে খবর দেন উপকূলে। এর পর ন্যাশনাল সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ এজেন্সি উদ্ধারকার্যে নামে। জানা গিয়েছে, KMP mutiara Sentosa 2 নামের গোটা জাহাজটিই আগুনের গ্রাসে চলে যায়। রেলিং ধরে ঝুলেছিলেন অনেকে। লাইফ জ্যাকেট পরে উদ্ধারকারীদের জন্য অপেক্ষাও করছিলেন সেই অবস্থায়। পরে অন্য একটি জাহাজ গিয়ে পৌঁছয়। যাত্রীদের এক এক করে তোলা হয় তাতে।
এর আগে, ২০২৫ সালের জুলাই মাসেও ইন্দোনেশিয়ায় একটি জাহাজে আগুন ধরে যায়। জাহাজে প্রায় ১৫০ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। সেবার তিন জন প্রাণ হারিয়েছিলেন। মোট ২৮০ জন যাত্রী সওয়ার ছিলেন জাহাজে। ইন্দোনেশিয়ার ইতিহাসে সেটিই ছিল সবচেয়ে বড় ফেরি দুর্ঘটনা। ২০২১ সালের মে মাসে আরও একটি জাহাজে আগুন ধরেছিল। সেবারও প্রাণে বাঁচতে সাগরে ঝাঁপ দেন যাত্রীরা।
আরও পড়ুন: সামান্য সরকারি কর্মী হয়ে ছেলেকে বিদেশে পড়ালেন কী করে? এবার অভিজিৎ দীপকের বাবার বিরুদ্ধে তদন্ত হবে?
