Strait Of Hormuz : মুখেই হুমকি, ধমকি ! ট্রাম্পের নৌবাহিনীর কড়া পাহাড়ার মধ্যেই হরমুজ প্রণালী থেকে বেরিয়ে গেল চিনের জাহাজ। মার্কিন প্রেসিডেন্টের হরমুজ বন্ধ করার পর এই প্রথম কোনও তেলের ট্যাঙ্কারবাহী জাহাজ হরমুজ পেরোল। যা নিয়ে বিদ্রূপ করতে ছাড়েনি ইরান।  

Continues below advertisement

ট্রাম্পকে বিদ্রুপ বার্তায় কী বলেছে তেহরানসবথেকে বড় বিষয়, এই চিনের জাহাজটির ওপর নিষেধাজ্ঞা ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের। তা সত্ত্বেও সব হুমকি উপেক্ষা করে হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করেছে ট্যাঙ্কারবাহী জাহাজ। এই  দৃশ্যই ইরানকে আমেরিকার ওপর কটাক্ষের রসদ জুগিয়েছে। তারা জোর দিয়ে বলেছে, এই অবরোধ কেবল সেই দেশগুলির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, যাদেরকে ‘ট্রাম্প ভয় পান না’। ঘুরপথে ট্রাম্প চিনকে যে ভয় পান, তা কটাক্ষের মাধ্যমে বুঝিয়েছে ইরান।

আসলে কী হয়েছে হরমুজেসামুদ্রিক জাহাজ যাতায়াতের তথ্য বলছে, 'রিচ স্টারি' নামের মাঝারি রেঞ্জের এক ট্যাঙ্কার হরমুজ প্রণালী দিয়ে সম্প্রতি সফলভাবে অতিক্রম করেছে। বর্তমানে ওমান উপসাগরে রয়েছে এই জাহাজ। ব্লুমবার্গের রিপোর্ট বলছে, ট্রাম্প হরমুজে নৌবাহিনী নামনোর পরই মালাউইয়ের পতাকা নিয়ে চলাচলকারী এই জাহাজটি সোমবার পথ পরিবর্তন করে পিছু হটে। প্রণালীতে অবরোধ কার্যকর করার পরই এই ঘটনা ঘটে। তবে, জাহাজে চিনা নাবিকদের টিম রয়েছে, এমন খবর সামনে আসার পরই এটি ফের হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করে চলে আসে।

Continues below advertisement

নিষেধাজ্ঞা ছিল আগে থেকেই

আমেরিকার হুমকির মধ্যেই হরমুজ পেরিয়েছে এই চিনা ট্যাঙ্কার। এই জাহাজে রয়েছে বিপুল পরিমাণে মেথানল ভর্তি ট্যাঙ্কার। ইরানের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগে আমেরিকা নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল এই জাহাজের ওপর। ২০২৩ থেকে সাংহাইয়ের সংস্থার উপরে আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা ছিল। এবার সেই জাহাজ আমেরিকার নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই হরমুজ দিয়ে বেরিয়ে এল । 

কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না ইরানস্বাভাবিকভাবেই চিনের জাহাজ হরমুজ পেরোতেই ট্রাম্পকে বিদ্রূপ করতে ছাড়ছে না ইরান। ঘানায় অবস্থিত ইরানের দূতাবাস টুইট করে বলেছে, "মার্কিন নৌবাহিনী তাদের সেই বহু 'বিশাল ও সুন্দর জাহাজ' নিয়ে বারবার সতর্কবার্তা দিচ্ছিল। যদিও শোনা যাচ্ছে, ট্যাঙ্কারের ক্যাপ্টেন বিজ্ঞাপনের ঝামেলা এড়াতে 'প্রিমিয়াম' সংস্করণে (আপগ্রেড) করে চলে গিয়েছেন।" 

আগে কী ঘোষণা করেছিল আমেরিকাকদিন আগেই হরমুজে মার্কিন নৌবাহিনী নামিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। হরমুজে জাহাজ আটকাতে তাদের অনুমতি নেওয়ার কথা বলেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ওয়াশিংটনের তরফে বলা হয়, কেবল ইরানের বন্দরে ঢুকছে বা বেরোচ্ছে এমন জাহাজগুলিকে আটকাবে আমেরিকা। তবে অন্যান্য় দেশের জাহাজ আটকানো হবে না।