বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ বাজেটকে স্বাগত জানিয়েছেন। বলেছেন, এই বাজেট সমাজের সব অংশের উপকার করবে, এও প্রমাণ হল যে, মোদি সরকার দেশের যুবক, কৃষক, গরিবের আশাআকাঙ্খা পূরণে দায়বদ্ধ। বাজেট বৃদ্ধি চাঙ্গা করবে, কর্মসংস্থান তৈরি করবে, মধ্যবিত্ত, চাষি ও গরিবকেও স্বস্তি দেবে বলে দাবি করেন তিনি। আয়করের ঊর্ধ্বসীমা বৃদ্ধির ঘোষণাকে ঐতিহাসিক আখ্যা দেন তিনি, বলেন, এতে মধ্যবিত্ত শ্রেণি শুধু কর ছাড়ই পাবে না, দেশের উন্নয়নে তাদের যোগদান আরও গভীর হবে। সমাজের বিভিন্ন অংশের জন্য বাজেটে ঘোষিত নানা পদক্ষেপের ওপর গুরুত্ব দিয়ে বিজেপি সভাপতি বলেন, কৃষকদের জন্য গৃহীত পদক্ষেপগুলি তাদের আয় দ্বিগুণ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে মাইলফলক হয়ে উঠবে। এও বলেন, বিজেপি সরকার সবসময় দেশের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেয়। সেজন্য ৩ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে প্রতিরক্ষার পিছনে, যা এপর্যন্ত ওই খাতে সর্বোচ্চ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংহ বলেছেন, এই ‘ঐতিহাসিক’ বাজেটের লক্ষ্য অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা, সমাজের সব অংশের উপকার হবে এতে। বাজেটে গয়াল মধ্যবিত্তের মুখে হাসি ফোটাতে আয়কর ছাড়ের ঊর্ধ্বসীমা দ্বিগুণ বাড়িয়ে ৫ লক্ষ টাকা, স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন বাড়িয়ে ৫০০০০ টাকা করেছেন গয়াল, ব্যাঙ্ক আমানত ও ভাড়া বাবদ আয়ে ছাড় ঘোষণা করেছেন। রাজনাথ বলেছেন, আমাদের সরকার চায় দেশের অর্থনীতির শক্তি আরও বাড়ুক। সেটাই বাজেটের লক্ষ্য। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী রামবিলাস পাসেয়ান ও আরকে সিংহ বাজেটকে বিরোধীদের ওপর সার্জিক্যাল হামলা বলে উল্লেখ করেছেন। রামবিলাস বলেন, এটা দ্বিতীয় সার্জিক্যাল আক্রমণ। প্রথমটা হয়েছিল যখন আমাদের জওয়ানরা সীমান্তে বুলেট নিয়ে লড়েছেন, এবার লড়াইটা হবে ব্যালটের। এই বাজেটে লাভ হবে চাষির। চমত্কার গরিব ও কৃষকমুখী, মধ্যবিত্তের ক্রয়ক্ষমতাও বাড়াবে, গয়ালের বাজেটের প্রশংসা জেটলির, ঐতিহাসিক বললেন অমিত শাহ, দ্বিতীয় সার্জিক্যাল হামলা, মত পাসোয়ানের
Web Desk, ABP Ananda | 01 Feb 2019 04:43 PM (IST)

নয়াদিল্লি: অসুস্থতার জন্য নিজে পেশ করতে পারেননি, শুক্রবারের অর্ন্তবর্তী বাজেট সংসদে পেশ করার পর কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী পীযূষ গয়ালকে অভিনন্দন জানালেন অরুণ জেটলি। নিউইয়র্কে চিকিত্সা করাচ্ছেন তিনি। তাঁর অবর্তমানে গয়ালকে অস্থায়ী ভাবে অর্থমন্ত্রক সামলানোর ভার দেওয়া হয়েছে। নিউইয়র্ক থেকে ট্যুইটে গয়ালের প্রশংসা করেছেন জেটলি। তিনি বর্তমানে মন্ত্রকহীন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। জেটলির মত, চমত্কার গরিব ও কৃষকমুখী বাজেট এটি, যা মধ্যবিত্তের ক্রয়ক্ষমতাও বাড়াবে। জেটলি ট্যুইট করেছেন, নিঃসংশয়ে এই বাজেট বৃদ্ধি-মুখী, আর্থিক দিক থেকে বাস্তব, কৃষক, গরিবকেন্দ্রিক, মধ্যবিত্তের ক্রয়ক্ষমতাও তা বাড়াবে। ২০১৪ থেকে ২০১৯ এর মধ্যে প্রতিটি কেন্দ্রীয় বাজেটই মধ্যবিত্তকে উল্লেখযোগ্য স্বস্তি দিয়েছে। বাজেটে বাস্তব মেনে আর্থিক বিচক্ষণতায় গুরুত্ব দিয়েই ব্যয়বৃদ্ধিতে উত্সাহ দেওয়া হয়েছে। জেটলি বলেন, অন্তর্বর্তী বাজেট সবসময়ই ক্ষমতাসীন সরকারকে গত পাঁচ বছরের পারফরম্যান্স গভীর ভাবে খতিয়ে দেখার, দেশবাসীর সামনে তথ্য পরিসংখ্যান পেশের সুযোগ দেয়।