পাশাপাশি কংগ্রেস মুখপাত্র মনীশ তেওয়ারিও কেন্দ্রকে আক্রমণ করে চলতি আর্থিক হালকে ‘মানুষের তৈরি ট্র্যাজেডি’ আখ্যা দিয়ে দাবি করেছেন, ভারতকে সংখ্যাগুরুর রাষ্ট্রে পরিণত করার প্রজেক্ট তার অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ‘পুরোপুরি পঙ্গু করে দিয়েছে’। তিনি পঞ্জাব ও মহারাষ্ট্র ব্যাঙ্কের এক অ্যাকাউন্ট হোল্ডারের হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু ও ক্যাফে কফি ডে-র প্রতিষ্ঠাতা ভিজি সিদ্ধার্থের আত্মহত্যার অভিযোগ তুলে বলেন, দেখা যাচ্ছে, অর্থনীতি ঝিমিয়ে পড়ার জের মানুষের জীবনেও পড়ছে। পাশাপাশি অর্থনীতি ‘গভীর বিপদে’ পড়েছে বলে দাবি করে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের স্বামী, নামী রাজনৈতিক অর্থনীতিবিদ পরাকালা প্রভাকরের লেখা সাম্প্রতিক নিবন্ধে সরকারের নীতির সমালোচনামূলক বিশ্লেষণেরও উল্লেখ করেন মনীশ। পরাকালা ওই নিবন্ধে বলেছেন, দেশে অর্থনীতি ঝিমিয়ে পড়া নিয়ে সর্বত্র উদ্বেগ ছড়িয়েছে। সরকার এখনও মানতে চাইছে না বটে, কিন্তু জনসমক্ষে বাধাহীন ভাবে যেসব তথ্য-পরিসংখ্যান বেরিয়ে আসছে, সেগুলি দেখাচ্ছে, একের পর এক সেক্টরের সামনে সত্যিই গভীর চ্যালেঞ্জের পরিস্থিতি ফুটে উঠছে। মোদিজি শুনছেন? ফটো অপ কমিয়ে কাজ করুন! অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর্যবেক্ষণের উল্লেখ করে কটাক্ষ সিবালের
Web Desk, ABP Ananda | 15 Oct 2019 09:07 PM (IST)
পাশাপাশি কংগ্রেস মুখপাত্র মনীশ তেওয়ারিও কেন্দ্রকে আক্রমণ করে চলতি আর্থিক হালকে ‘মানুষের তৈরি ট্র্যাজেডি’ আখ্যা দিয়ে দাবি করেছেন, ভারতকে সংখ্যাগুরুর রাষ্ট্রে পরিণত করার প্রজেক্ট তার অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ‘পুরোপুরি পঙ্গু করে দিয়েছে’। তিনি পঞ্জাব ও মহারাষ্ট্র ব্যাঙ্কের এক অ্যাকাউন্ট হোল্ডারের হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু ও ক্যাফে কফি ডে-র প্রতিষ্ঠাতা ভিজি সিদ্ধার্থের আত্মহত্যার অভিযোগ তুলে বলেন, দেখা যাচ্ছে, অর্থনীতি ঝিমিয়ে পড়ার জের মানুষের জীবনেও পড়ছে।
নয়াদিল্লি: ভারতীয় অর্থনীতির বর্তমান হাল নিয়ে সদ্য নোবেলজয়ী অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যকে হাতিয়ার করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কটাক্ষ করলেন কপিল সিবাল। তিনি ট্যুইট করেছেন, ছবি তোলার অধিবেশন না করে ওনার বরং কাজের জায়গায় থাকা উচিত! ২০১৯-র অর্থনীতির নোবেল পুরস্কারের জন্য বাছাই হওয়া তিন অর্থনীতিবিদের একজন, অভিজিত বিনায়ক বলেছেন, ভারতীয় অর্থনীতির দুর্বল ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। বর্তমানে যেসব নথি, তথ্য-পরিসংখ্যান পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলি থেকে শীঘ্রই দেশের অর্থনীতির পুনরুজ্জীবনের কোনও ভরসা পাওয়া যাচ্ছে না বলেও অভিমত জানিয়েছেন তিনি। এর পর কংগ্রেসের অন্যতম প্রথম সারির নেতা সিবাল ট্যুইট করেন, মোদিজি কি শুনতে পাচ্ছেন? অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, ১)ভারতীয় অর্থনীতির ভিত দুর্বল, ২) পরিসংখ্যান সংক্রান্ত নথিতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ হচ্ছে, ৩) গ্রাম, শহরে গড়পড়তা পণ্যসামগ্রীর ভোগ-ব্যবহার কমেছে, যা সাতের দশকের পর থেকে কখনও হয়নি। ৪) আমরা (ভারতে) সঙ্কটে পড়েছি। সুতরাং ফটো-অপস কমিয়ে কাজ করুন।