কলকাতা: 'আক্রান্ত' কমিশনের পর্যবেক্ষক, ডিজির রিপোর্ট তলব কমিশনের। মগরাহাটে সি মুরুগানের গাড়িতে হামলা-বিক্ষোভের ঘটনায় এবার ডিজি রাজীব কুমারের কাছে রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন। 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, '..ত্রুটি কী ? তাঁরা পশ্চিমবঙ্গের', BJP শাসিত রাজ্যে বাঙালি শ্রমিক 'খুনে' আক্রমণ অভিষেকের

Continues below advertisement

মগরাহাটে 'আক্রান্ত' কমিশনের পর্যবেক্ষক-এর ঘটনায় রিপোর্ট তলব কমিশনের

'পরিদর্শনের সময় কমিশনের পর্যবেক্ষকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে', রাখতে হবে পর্যাপ্ত পুলিশ কর্মী সহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ অফিসারকেও, নির্দেশ কমিশনের। মূলত ঘটনার দিন, সকাল সাড়ে ১১ টা নাগাদ কমিশনের রোল অবজারভার সি মুরুগান মগরা ১ ব্লকে একটি হাইস্কুলে। মূলত ওই স্কুলে চলছিল শুনানি। এখানে কাজ মিটিয়ে যখন তিনি বেরিয়ে আসছিলেন, তখন দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা পরিষদের যিনি অধ্যক্ষ, মুজিবর রহমান মোল্লা এবং কিছু মানুষজন তাঁকে ঘিরে ধরে বলে অভিযোগ। এবং তাঁর কাছে দাবি রাখতে থাকেন, যে আপনারা যে বয়স্ক মানুষ, যারা বৃদ্ধা এবং পাশাপাশি যারা অসুস্থ, তাঁদেরকে কেন শুনানিতে ডাকছেন ? তাঁদের বাড়িতে কেন যাচ্ছেন না ? এর পাশাপাশি আরও একটি দাবি রাখা হয় যে, দলের যারা এজেন্ট BLA, তাঁদেরকে ওই হিয়ারিং-র সময়, থাকতে দিতে হবে, সেই দাবিতে তাঁকে ঘিরে ধরে বেশ কিছুক্ষণ ধরে ক্ষোভ বিক্ষোভ চলে।

গাড়ি ঘিরে ধরে চড়-থাপ্পড় চলে,গাড়ির লক পর্যন্ত ভেঙে দেওয়া হয়

তারপরে তিনি চলে আসেন মগরা ১ ব্লক অফিসে। সেখানে থাকার পর তিনি যান মগরার দুই নাম্বার ব্লকে। সেখানেও একটি শুনানি কেন্দ্র হয়েছে। যখন থেকে তিনি এই শুনানি কেন্দ্রের ভিতরে ছিলেন, তখন থেকে কয়েকশো মহিলা বাইরে জড়ো হয় এবং কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ তুলেও স্লোগান দিতে থাকে। ১০০ দিনের কাজের টাকা কেন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ? কেন আবাসের টাকা ছাড়া হচ্ছে না ? সব মিলিয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভ চরমে ওঠে। তারপরে তিনি যখন বিডিও অফিস থেকে বেরিয়ে গিয়ে , মগরাহাটের অন্য একটি শুনানি কেন্দ্রের দিকে যাচ্ছিলেন, তখন কার্যত দেখা গেল, তার গাড়ি ঘিরে ধরে চড়-থাপ্পড় চলে। এমন কি সি মুরুগানের গাড়ির লক পর্যন্ত ভেঙে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেও, বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা পুলিশের থেকে অনেক বেশি ছিল, এবং কার্যত তারা ঘিরে ধরে বলে অভিযোগ।