নয়াদিল্লি : ৪৮ ঘণ্টার ব্যবধানে ফের উপত্যকার আকাশে ড্রোন ! নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর একাধিক ড্রোন উড়ে আসতে দেখা যায় এদিনও। সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেয় ভারতীয় নিরাপত্তাবাহিনী। কেরি সেক্টরের ডুঙ্গা গলি এলাকার ঘটনা। সেনাবাহিনী গুলি চালিয়ে সেগুলি মাটিতে নামিয়ে আনার চেষ্টা করে। ড্রোন থেকে কিছু ফেলা হয়েছে কি না তা জানার জন্য সঙ্গে সঙ্গে পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসন্ধান অভিযান শুরু করে বাহিনী। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই রাজৌরি সেক্টরে একই ধরনের ঘটনার জেরে নিয়ন্ত্রণরেখা ও আন্তর্জাতিক সীমানায় চূড়ান্ত নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়। সতর্ক রয়েছে বাহিনী। গত বছর মে মাসে অপারেশন সিঁদুরের পর, গত কয়েকদিনের ব্যবধানে এই প্রথমবার পর পর ড্রোন দেখা গেল নিয়ন্ত্রণরেখা ও আন্তর্জাতিক সীমানা বরাবর।

Continues below advertisement

গত কয়েকদিনে উপত্যকায় পাকিস্তানি ড্রোন নিয়ে ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, "ড্রোনের বিষয়ে বলতে গেলে, আপনাকে দেখতে হবে সময়টা কী । এটা ১৫ ও ২৬ জানুয়ারির খুব কাছের সময়। এই সময় পাকিস্তান একটু আতঙ্কে থাকে। যে ড্রোনগুলি দেখা গেছে সেগুলি খুব ছোট ড্রোন। আলো জ্বালিয়ে আসে, বেশি উচ্চতায় যায় না। খুব কম দেখা গেছে। ১০ তারিখের আশপাশে ৬-৭টি দেখা গিয়েছিল। ১১-১২ তারিখে ২-৩টি দেখা গিয়েছিল। এগুলি ডিফেন্সিভ ড্রোন। যেগুলি উপরে এসে দেখতে চেয়েছিল যে, ওদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না তো। এই সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছি না যে, ভারতীয় সেনায় কোনও খামতি আছে কি না তা দেখতেও আসতে পারে ড্রোনগুলি। যেখান দিয়ে ওরা জঙ্গি ঢোকাতে পারবে। আমার মতে, ওরা নেতিবাচক জবাব পেয়েছে। ওরা নিশ্চয়ই দেখেছে যে, আজকের তারিখে দাঁড়িয়ে এমন কোনও ফাঁক নেই যেখান দিয়ে ওরা জঙ্গি ঢোকাতে পারবে।"

অপারেশন সিঁদুরের পর বারবার অস্ত্রবাহী ড্রোন ঢুকিয়ে ভারতের ক্ষতি করতে চেয়েছে পাকিস্তান। আবারও গত রবিবার সন্ধেয় জম্মু ও কাশ্মীরের সাম্বা, রাজৌরি এবং পুঞ্চ জেলায় LoC বরাবর আকাশে দেখা যায় আলোর ঝলকানি। কাছেই ভারত -পাক আন্তর্জাতিক সীমান্ত । রবিবার নিয়ন্ত্রণরেখা (LoC) বরাবর বারবারে বেশ কয়েকটি সন্দেহজনক ড্রোনের গতিবিধি লক্ষ্য করে নিরাপত্তা বাহিনী। সেইসব ড্রোন পাকিস্তানের দিক থেকে ভারতের দিকে এসেছিল বলে মনে করা হয়। বেশ কয়েক মিনিট ভারতের আকাশ সীমায় ঢুকেছিল ড্রোনগুলি। তারপর সেগুলি ফিরে যায়। 

Continues below advertisement