দিন কয়েক আগেই ভূমিকম্পের ধাক্কায় কেঁপে উঠেছিল উত্তরবঙ্গ। কম্পন অনুভব হয়েছিল কলকাতাতেও। এবার ধাক্কা উত্তরপূর্ব ভারতে।  কম্পন অনুভূত হল বাংলাদেশেও । উৎপত্তিস্থল মায়ানমারে। রাত তখন ১ টা পেরিয়েছে। হঠাৎ কেঁপে ওঠে ভারতের অসম, মিজোরামের সীমান্তবর্তী এলাকা ও বাংলাদেশের ঢাকা ও সিলেটসহ একাধিক এলাকা ।  National Center for Seismology-র দেওয়া তথ্যানুযায়ী এই ভূমিকম্প ছিল মাঝারি মানের। 

মিজোরাম ও অসম সীমান্তের কাছে অবস্থিত ফেরজাওল জেলায়  ভূমিকম্পের পরিমাপ ছিল ৪.৩।  এরপর আবার ৩৯ মিনিট পরে দ্বিতীয় ভূমিকম্প হয়। এর মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৩.৩। মিজোরাম ও মায়ানমার সীমান্তবর্তী চুরাচাঁদপুর জেলায় কম্পনের অনুভব সবথেকে বেশি। তবে ভূমিকম্পে হতাহত বা সম্পত্তির ক্ষতির কোনও খবর পাওয়া যায়নি। 

 এই মাসে উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলিতে আগেও ভূমিকম্পের অনুভূতি হয়েছে।  চুরাচাঁদপুর, তামেংলং, কামজং এবং কাংপোকপি জেলাগুলিতে ৩.১ থেকে ৩.৮ মাত্রার মধ্যে বেশ কয়েকটি কম্পন হয়েছে। শুধুমাত্র মণিপুরেই ছয়বার ভূমিকম্প হয়েছে। মেঘালয়ে গত ২১ জানুয়ারি দক্ষিণ পশ্চিম খাসি পাহাড়ে ৪.১ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। 

ইউএসজিএস জানিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎপত্তি স্থল ভারতের মনিপুর রাজ্যের ওয়াংজিং অঞ্চল থেকে ১০৬ কিলোমিটার পূর্বে মিয়ানমারের সাগাইং এলাকায়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ১। ভূমিকম্পের গভীরতা ছিল ১২৬ কিলোমিটারের বেশি। শুক্রবার মধ্যরাতের কিছু পরে তীব্র ঝাঁকুনিতে ঘুম ভেঙে যায় মায়ানমারবাসীর ।National Center for Seismology-র দেওয়া তথ্যানুযায়ী  কম্পনটি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। মায়ানমারের এই ভূমিকম্পের প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাতেও। অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভূমিকম্পের অনুভূতির কথা জানিয়েছেন। 

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশে সিলেটে কম্পন সবথেকে বেশি অনুভূত হয়েছে। এই অঞ্চল টেকটোনিক প্লেটের কাছাকাছি। আফটার শকের বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।