নয়াদিল্লি:ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়ল নেপাল। পাহাড়ি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাসুয়া, নুয়াকোট, ধাদিং, চিতওয়ান-সহ নেপালের একাধিক জেলা। পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তবে ভয়াবহ এই পরিস্থিতিতে নেপালের পাশে দাঁড়িয়ে, বায়ুসেনার বিমানে করে ত্রাণ পাঠাল ভারত। ইতিমধ্য়েই নেপালের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর। 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, বাড়ছে বার্ধক্য ভাতা, বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, “আগের সরকারের কাছে করা অ্যাপ্লিকেশনগুলি নিইনি”, কারা পাবেন এই 'নতুন ভাতা' ?

Continues below advertisement

 

বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে জনজীবন। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্কটকালে পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত। পরিস্থিতি মোকাবিলায় বৈঠক ডেকেছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ।ভারতীয় বিমানবাহিনীর বিশেষ সামরিক বিমান C 130J করে ত্রাণসামগ্রী ও চিকিৎসার সরঞ্জাম পাঠানো হয়েছে কাঠমান্ডুতে। যার মোট পরিমাণ ১০ টন। C 17 এবং C 130 বিমানে করে, অতিরিক্ত ত্রাণ সামগ্রী এবং উদ্ধারকার্যের জন্য হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হবে।

সূত্রের খবর, পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভারতের সাহায্য চেয়েছে নেপাল। হ্যান্ডলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লিখেছেন, নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহর সঙ্গে কথা বলেছি।এই কঠিন সময়ে ভারতের মানুষ নেপালের ভাই-বোনদের পাশে আছে। নেপালকে সব ধরনের মানবিক সাহায্য দিতে ভারত প্রস্তুত। উদ্ধার ও ত্রাণকাজে আমাদের বিপর্যয় মোকাবিলা দলগুলি নেপাল প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করছে।এদিকে, তিব্বত থেকে নেমে আসা ভোতেকোশি নদী নেপালের ৬ জেলা পার করার পর মিশেছে বিহারমুখী গণ্ডক নদীর সঙ্গে। নেপাল থেকে নেমে আসা জলে ইতিমধ্যেই ফুঁসতে শুরু করেছে গণ্ডক।সেই কারণে, সতর্ক রয়েছে বিহার প্রশাসন। 

 নেপালে জলপ্রলয়, ফেরাল ২০১৫-র ভয়াবহ বিপর্যয়ের স্মৃতি। হড়পা বানে বিধ্বস্ত হল নেপালের রাসুয়া সহ ৬ জেলা। বহু মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা। অথচ, বুধবার সকালে নেপালের কোথাও বৃষ্টির চিহ্নমাত্র ছিল না। ঝলমলে রোদের সঙ্গে ছিল ঝকঝকে নীল আকাশ। তখন সকাল ৯টা। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, হঠাৎ তীব্র গুড়গুড় শব্দ শুনতে পান তাঁরা। বাইরে বেরিয়ে দেখেন, বিস্ফোরণের ধোঁয়ার মতো কুণ্ডলী পাকিয়ে নেমে আসছে জলের স্রোত। প্রশাসন সূত্রে খবর, এদিন সকালে তিব্বত থেকে নেমে আসা ভোতেকোশি নদীর জলস্তর আচমকা বৃদ্ধি পায়। হুড়মুড়িয়ে নেমে আসে হড়পা বাণ। হড়পা বানে ভয়ানক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাসুয়া, নুয়াকোট, ধাদিং, চিতওয়ান সহ নেপালের ৬টি জেলা। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা না গেলেও ব্যাপক হতাহতের হয়েছে বলে রাসুয়া জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর।