নয়া দিল্লি : হানা , পাল্টা হানা। সারা রাত সীমান্তে গুলি,গোলাবর্ষণ। তুমুল সংঘাত চলছে পাকিস্তান-আফগানিস্তানের মধ্যে। আফগানিস্তানের তালিবান প্রশাসনের দাবি, সীমান্তে সংঘর্ষে কমপক্ষে ৫৫ জন পাকিস্তানি সেনাকে মারা হয়েছে।   এদিকে, আফগানিস্তানের হামলার পরই পাল্টা জবাব দিয়েছে পাকিস্তান। একেবারে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে এয়ারস্ট্রাইক করেছে পাকিস্তান। কাবুলে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে খবর।                      

Continues below advertisement

পাকিস্তানের কী দাবি ?                  

আফগানিস্তানের সরকারি মুখপাত্র জানিয়েছেন, শুক্রবার কাবুল ও আফগানিস্তানের ২টি জায়গায় বিমান হামলা চালানো হয়েছে। আফগানিস্তান সীমান্তের এপার থেকে পাকিস্তানে হামলা চালানোর কয়েক ঘণ্টা পরই এই হামলা চালানো হয়। অন্য়দিকে পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানিয়েছেন,'অপারেশন গাজাব লিল হকে' ১৩৩জন আফগান তালিবান নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ২০০-র বেশি। কার্যত এবার যুদ্ধের ঘোষণা করে দিল পাকিস্তান। কাবুল, কান্দাহারে হামলা পরপর চলেছে হামলা। দেশের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফ সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে লিখেছেন, 'যে কোনও আগ্রাসী বাসনাকে ধ্বংস করতে সক্ষম আমাদের সামরিক বাহিনী।' পাকিস্তানের দাবি, পাক-আফগান সীমান্ত বরাবর আফগানিস্তানের আগ্রাসী আচরণের মোকাবিলা করতেই এই পদক্ষেপ।                  

Continues below advertisement

আফগানিস্তানের কী কী ক্ষয়ক্ষতি ?                               

শুক্রবার সকালে পাকিস্তান বিমান বাহিনী কাবুল, কান্দাহার এবং পাকতিয়ায় তালেবান সামরিক ঘাঁটিতে আক্রমণ চালায়। পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতা উল্লাহ তারার এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন, ১৩৩ জন আফগান তালিবান সেনা মারা গিয়েছে এবং ২০০ জনেরও বেশি আহত। পাকিস্তানের দাবি, ২৭টি আফগান পোস্ট ধ্বংস করা হয়েছে। পাকিস্তানের দাবি অনুসারে, আফগানিস্তানের অস্ত্রের ঘাঁটি, সেনা ছাউনি, ৮০টিরও বেশি ট্যাঙ্ক, আর্টিলারি বন্দুক ধ্বংস করা হয়েছে। তাদের আক্রমণ তালিবানদের যথেষ্ট ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি পাকিস্তানের। 

আফগানিস্তানের কী দাবি?                            

আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মতে, পাকিস্তানে আফগানিস্তানের হামলায় আটজন আফগান সেনা মারা গিয়েছে।  ১৩ জন আহত হয়েছে। তাছাড়া, কাবুল, কান্দাহার এবং পাকতিকার সামরিক ঘাঁটিতে বিমান হামলায় কোনও আফগান বেসামরিক নাগরিক বা সেনা নিহত হয়নি।