'মুখরক্ষা'য় রাজনাথের বার্তার পরই পাহাড়ে কাল থেকেই বনধ তুলছেন গুরুঙ্গ
Web Desk, ABP Ananda | 26 Sep 2017 08:04 PM (IST)
নয়াদিল্লি:ছন্দে ফিরতে থাকা পাহাড়ে মোর্চার বন্ধ ‘প্রত্যাহার’।পাহাড়বাসীর চাপের মুখে বন্ধ ‘তুলছেন’ মোর্চা প্রধান বিমল গুরুঙ্গ।কাল সকাল ৬টা থেকেই বন্ধ ‘প্রত্যাহার’ গুরুঙ্গের। কেন্দ্রের দেওয়া মুখরক্ষার পথেই বন্ধ ‘প্রত্যাহার’ ঘোষণা।ইতিমধ্যেই পাহাড় স্বাভাবিক, চালু ইন্টারনেট পরিষেবা। এর আগে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা (জিজেএম)-কে পৃথক গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে চলতি বনধ প্রত্যাহারের আবেদন করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংহ। বিবৃতি দিয়ে তিনি বলেন, গণতন্ত্রে আলোচনাই সমস্যা সমাধানের একমাত্র পথ। আইনের চৌহদ্দির মধ্যে সংযম, পারস্পরিক মতামত আদানপ্রদানের মধ্যেই সমাধান বেরিয়ে আসে। গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের পাহাড় বনধের মঙ্গলবার ছিল ১০৪-তম দিন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিবৃতিতে বলেন, মোর্চা ও তার নেতা বিমল গুরুঙ্গকে আবেদন করছি, বর্তমান উত্সবের মরসুমে পাহাড়ে স্বাভাবিকতা ফেরানোর ইতিবাচক পরিবেশ সৃষ্টির জন্য চলতি বনধ তুলে নিন। মোর্চার তরফে যেসব দাবি তোলা হয়েছে, তা নিয়ে আলোচনার জন্য এক পক্ষকালের মধ্যে সরকারি পর্যায়ের বৈঠক ডাকতে তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব রাজীব গাউবাকে নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। রাজনাথ বলেন, বনধ শুরু হওয়ার পর থেকে ১১টি অমূল্য জীবন এ পর্যন্ত নষ্ট হয়েছে, সাতজন জখম হয়েছেন, গোটা দার্জিলিঙের মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। দার্জিলিং পাহাড়ের ঘটনায় আমি গভীর ব্যথিত। বিমল গুরঙ্গ, রোশন গিরিদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে মোর্চা নেতা বিনয় তামাং ও তাঁর গোষ্ঠী সরে এলেও ১২ জুন থেকে পাহাড় অচল হয়ে রয়েছে মোর্চার একটানা বনধে। গুরুঙ্গকে কঠোর বার্তা দিয়ে গত ২০ সেপ্টেম্বর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার পাহাড়ে ৯ সদস্যের একটি বোর্ড গঠন করেন, যার চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান করা হয়েছে যথাক্রমে বিনয় তামাং ও অনীক থাপাকে। জিটিএ-র যাবতীয় ক্ষমতা দেওয়া হয় বোর্ডকে। গতকাল রাতে দার্জিলিং, কালিম্পঙে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ফের চালু হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। ১৮ জুন তার ওপর নিষেধাজ্ঞা চালু হয়েছিল। কারণ, প্রশাসন মনে করছে, একদিকে যেমন স্থানীয় মানুষ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সহযোগিতা করছেন, তেমনই কাজ শুরু করে দিয়েছে সরকারের তৈরি করা বোর্ড অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটরও।