যন্ত্রণাহীন ইঞ্জেকশনের 'উদ্ভাবন' খড়্গপুর আইআইটি-র, কোভিড -১৯ ভ্যাকসিন নেওয়ার ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে
ওয়েব ডেস্ক, এবিপি আনন্দ | 31 Aug 2020 04:27 PM (IST)
ইঞ্জেকশন নিতে কে আর পছন্দ করে। অনেকেই মনে করেন, এতে ব্যথা লাগে না। কিন্তু বাস্তব হল, ব্যথা তো হয়ই। এরইমধ্যে আশার বাণী শোনা গেল আইআইটি গবেষকদের কাছ থেকে। ইঞ্জেকশনের ব্যথা অনেকটাই কমিয়ে দেওয়ার একটা উপায় বের করেছেন তাঁরা।
নয়াদিল্লি: ইঞ্জেকশন নিতে কে আর পছন্দ করে। অনেকেই মনে করেন, এতে ব্যথা লাগে না। কিন্তু বাস্তব হল, ব্যথা তো হয়ই। এরইমধ্যে আশার বাণী শোনা গেল আইআইটি গবেষকদের কাছ থেকে। ইঞ্জেকশনের ব্যথা অনেকটাই কমিয়ে দেওয়ার একটা উপায় বের করেছেন তাঁরা। আইআইটি খড়্গপুরের গবেষকরা একটি মাইক্রোনিডল বের করেছেন, যার মাধ্যমে যন্ত্রণাহীন উপায়ে ওষুধ প্রয়োগ করা যায়। ইলেকট্রনিক অ্যান্ড ইলেক্ট্রিক্যাল কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের তৈরি ইঞ্জেকশনের এই সূঁচ ব্যাস অনুযায়ী খুবই সরু। শুধু তাই নয়, ওই নিডল কিন্তু পলকা নয়...এটি সামগ্রিকভাবে শক্তপোক্ত, ফলে শরীরে ত্বকের নিচে ঢোকানোর পর সেটির ভেঙে যাওয়ার কোনও আশঙ্কা নেই। জানিয়ে রাখা ভালো, মাইক্রো নিডল অনেক সময় শরীরে ইনসুলিন নিতে ডায়াবেটিক রোগীরা ব্যবহার করে থাকেন। গবেষকদের দাবি, করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন এলে তা প্রয়োগের ক্ষেত্রেও সহায়ক হয়ে উঠতে পারে এই মাইক্রোনিডল। মুখ্য গবেষক অধ্যাপক তরুণকান্তি ভট্টাচার্য বলেছেন, এই নিডল ত্বকের প্রতিরোধ শক্তি সহ্য করতে সক্ষম। এরসঙ্গে আয়নিক পলিমার মেটাল কম্পোজিট মেমব্রেন ভিত্তিক মাইক্রোপাম্প, যা একটি নিয়ন্ত্রিত ও যথাযথভাবে ড্রাগ মলিকিউলের প্রবাহের হার বাড়িয়ে দেয়।