১০ নভেম্বর, ২০২৫ । দুঃস্বপ্নের মতো ভয়ঙ্কর সেই সন্ধে। লাল কেল্লার কাছে গাড়িতে বিরাট এক বিস্ফোরণ। আর তাতেই ছিন্নভিন্ন বহু প্রাণ। পহেলগাঁওয়ের পর ফের একবার সন্ত্রাসবাদী হামলা দেশের বুকে। এই ঘটনায় একে একে গ্রেফতার হন একাধিক চিকিৎসক। উঠে আসে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের একটি ভয়ঙ্কর মডিউলের ভূমিকা। সেই হোয়াইট কলার মডিউলেরই একাধিক সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদ ও তার নিরিখে তদন্ত চালিয়ে গোয়েন্দাদের হাতে উঠে এসেছে একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য, যা হাড়হিম করে দেওয়ার মতো। এবার তাদের টার্গেট ছিল এক নামি-দামি কপিশপ। ইদানীং আড্ডা থেকে মিটিং, অনেকেই বেছে নেন কপিশপগুলিকে। তাই এবার হোয়াইট কলাপ মডিউলের লক্ষ্য ছিল কফি আউটলেটগুলি। শুধু ভারতে নয়, বিশ্বব্যাপী এক জনপ্রিয় কফিশপের চেনে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে শয়ে শয়ে প্রাণ শেষ করে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাদের। গত চার বছর ধরে সক্রিয় ছিল জঙ্গিদের এই হোয়াইট কলার মডিউল। 

Continues below advertisement

ইহুদি ক্যাফেতে বিস্ফোরণ ঘটানোর ছক

গোয়েন্দা সূত্রে খবর,গাজায় ইজরায়েলি সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধেই এই পরিকল্পনাটি নেওয়া হয়েছিল। এভাবেই দেশে দেশে বড় বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বার্তা দিতে চাইছিল তারা। এক সরকারি সূত্র অনুসারে, এই ষড়যন্ত্রের পিছনে একটি সংগঠিত সন্ত্রাসবাদীদের নেটওয়ার্ক কাজ করছিল। এই নেটওয়ার্কে প্রায় সকলেই উচ্চ শিক্ষিত এবং পেশাদার। তাদের দেখলে লোকে সন্দেহ করবে না আর সেই মুখোশের আড়ালেই ভয়ঙ্কর সব পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করার ছক ছিল তাদের।  একটি ইহুদি ক্যাফেতে বিস্ফোরণ ঘটানোর ছক ছিল তাদের। এরাই আবার দিল্লিতে হামলা চালায়।                              

Continues below advertisement

 বিশ্ববিখ্যাত কফিশপ চেনে বিস্ফোরণ ঘটানোর ছক

তদন্তকারী সংস্থাগুলির মতে, দিল্লি বিস্ফোরণ কাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহ যাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, তাদের সঙ্গে কথা বলেই উঠে আসে  এই ভয়ঙ্কর তথ্য। জানা গিয়েছে, এরাই চেয়েছিল একটি বিশ্ববিখ্যাত কফিশপ চেনে বিস্ফোরণ ঘটানোর ছক ছিল তাদের। তাদের উদ্দেশ্য ছিল, এই বিস্ফোরণ ঘটিয়ে তাদের আদর্শ ও রাজনৈতিক বার্তা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়া। এরা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এবং কোডেড ভাষা ব্যবহার করত নিজেদের মধ্যে যোগাযোগের জন্য। আর পুরোটাই হত  নিজস্ব এনক্রিপ্টেড অ্যাপ ব্যবহার করে।