United Nations: রাষ্ট্রসঙ্ঘের মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুটারেস গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন ভারত এবং পাকিস্তানের জন্য। পহেলগাঁওতে জঙ্গি হামলার পর থেকেই ভারত-পাক সম্পর্কে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সোমবার পহেলগাঁও জঙ্গি হানার কড়া ভাষায় নিন্দা করেছেন। নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনাও জানিয়েছেন তিনি। তার পাশাপাশি বার্তা দিয়েছেন, ভারত এবং পাকিস্তান যেন সামরিক সংঘাতের পথে যাওয়া থেকে বিরত থাকে। তবে এর সঙ্গেই অ্যান্টোনিও একথাও বলেছেন যে, যারা এই হামলার জন্য দায়ী তাদের অতি অবশ্যই আইনের আওতায় এনে বিচার করা উচিত।
রাষ্ট্রসঙ্ঘের মহাসচিবের কথায়, '২২ এপ্রিল পহেলগাঁও হামলার পর যে বেদনাদায়ক অনুভূতি হয়েছিল তা আমি বুঝতে পারছি। আমি আবারও এই হামলার তীব্র নিন্দা করছিএ এবং নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।' অ্যান্টোনিও বলেছেন, ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে গত কয়েক বছরে 'টেনশন' সবচেয়ে বেড়েছে। তাঁর কথায়, 'ভারত-পাকিস্তানের সম্পর্ক যে উত্তপ্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে, তা দেখে আমার কষ্ট হচ্ছে।' তিনি আরও বলেছেন, 'দুই দেশের সরকার এবং জনগণের প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। রষ্ট্রসঙ্ঘের কাজের ক্ষেত্রে, বিশেষ করে শান্তিরক্ষার্থে তাঁদের অবদানের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আর তার ফলেই দুই দেশের সম্পর্কের এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতি দেখে আমার কষ্ট হচ্ছে।'
এর পাশাপাশি রাষ্ট্রসঙ্ঘের মহাসচিব বলেছেন, উভয় দেশেরই উচিত সীমান্ত থেকে সরে আসা। এর পাশাপাশি তিনি এও জানিয়েছেন যে, উত্তেজনা কমানোর সমস্ত উদ্যোগকে রাষ্ট্রসঙ্ঘ সমর্থন করে। অ্যান্টোনিও বলেছেন, 'কোনও ভুল করবেন না। সামরিক সমাধান কোন সমাধান নয়। শান্তির জন্য দুই দেশের সরকারকেই আমি শুভকামনা জানাচ্ছি। উত্তেজনা প্রশমণ, শান্তি রক্ষা এবং কূটনৈতিক ক্ষেত্রের যেকোনও উদ্যোগকে সমর্থন জানানোর জন্য রাষ্ট্রসঙ্ঘ প্রস্তত।'
গত ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ের বৈসারন উপত্যকায় পর্যটকদের উপর গুলি চালায় জঙ্গিরা। ধর্ম পরিচয় জেনে বেছে বেছে হিন্দু পুরুষদের টার্গেট করা হয়। গুলি করে খুন করা হয় তাঁদের। নিহত হন ২৫ জন পর্যটক। আর পর্যটকদের বাঁচাতে গিয়ে জঙ্গিদের গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে যান স্থানীয় এক যুবক, যিনি টাট্টু ঘোড়ার চালক ছিলেন।