নয়াদিল্লি: যুদ্ধের সপ্তম দিনে পশ্চিম এশিয়াজুড়ে সংঘর্ষের আগুন জ্বলছে। ইরানের পাশাপাশি লেবাননে লাগাতার হামলা চালাচ্ছে ইজরায়েল। বেইরুটের দক্ষিণ শহরতলির ঘিঞ্জি এলাকা খালি করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইজরায়েল। রাতভর বেইরুটে তীব্র অভিযান চালিয়েছে ইজরায়েলি সেনা। 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, SIR-এ সাড়ে ৬৩ লক্ষেরও বেশি নাম বাদ, আজ ধর্মতলায় ধর্নায় বসছেন মুখ্যমন্ত্রী

Continues below advertisement

রাতভর যৌথবাহিনীর হামলা, তেহরানের আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা গিয়েছে। যুদ্ধের আঁচে ধ্বংস ইরানের ইনডোর স্পোর্টস স্টেডিয়াম। ১২ হাজার দর্শ আসন বিশিষ্ট তেহরানের আজাদি ইনডোর স্টেডিয়াম ভেঙে টুকরো হয়ে গিয়েছে। যৌথবাহিনীর মিসাইল হানায় গুঁড়িয়ে গেছে খেলাধুলার জন্য নির্দিষ্ট এলাকাও।

যুদ্ধবিমান থেকে নাগাড়ে নেমে আসছে বোমা। মিসাইল আর ড্রোনের মুহুর্মুহু হামলায় গভীর রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে খান খান। একদিকে আমেরিকার 'অপারেশন এপিক ফিউরি' আর ইজরায়েলের 'অপারেশন লায়ন্স রোর'। আরেকদিকে ইরানের 'অপারেশন ট্রু প্রমিস'।পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের আঁচ পৌঁছে গেছে ভারতের দোরগোড়াতেও। ভারতের আমন্ত্রণে নৌবাহিনীর মহড়া দিয়ে বুধবার ভোরে বিশাখাপত্তনম থেকে ফিরছিল ইরানের যুদ্ধজাহাজ ‘IRIS Dena’।ভারত মহাসাগরে ইরানের যুদ্ধজাহাজকে ধ্বংস করে দেয় আমেরিকা। মৃত্য়ু হয় অসংখ্য় নৌসেনার!প্রাণে বেঁচেছেন কেউ কেউ। তাঁরা এখন হাসপাতালে!পাল্টা আমেরিকাকে চ্য়ালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে ওই একই জায়গায় ফের যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়েছে ইরান!ইরান দাবি করেছে, আমেরিকাকে জবাব দিতে উত্তর উপসাগরীয় এলাকায় আমেরিকার এরটি তেলবাহী জাহাজে আঘাত হেনেছে তারা। এদিকে, ইরানে বোমাবর্ষণের তীব্রতা আরও বাড়িয়েছে আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ বাহিনী। কীভাবে ইরানের একের পর এক সমরসম্ভার ধ্বংস করা হচ্ছে, আমেরিকার প্রতিরক্ষা দফতরের তরফে তার নতুন ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। 

ইজরায়েল হামলার তীব্রতা বাড়াতেই প্রত্যাঘাতের মাত্রা বাড়িয়েছে ইরান। ইজরায়েলের দিকে লাগাতার মিসাইল ছুড়ে যাচ্ছে তারা। তেল আভিভের কিরিয়ায় ইরানের হামলায় বড়সড় ক্ষয়ক্ষতির খবর মিলেছে। বাহরিনে তেল সংশোধনাগারেও ব্য়ালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছে ইরান। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, আকাশপথে উড়ে আসছে ক্ষেপণাস্ত্র। তারপরই প্রচণ্ড শব্দে বিস্ফোরণ ঘটছে। একাধিক জায়গায় দাউদাউ করে আগুন জ্বলতেও দেখা গেছে। আমেরিকার বন্ধু দেশগুলোর পাশাপাশি এবার আজারবাইজানেও ইরান হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যদিও, ইরান তা অস্বীকার করেছে। অর্থাৎ মহাশক্তিধর আমেরিকা-ইজরায়েল যেমন ইরানকে উচিত শিক্ষা দিতে চায়, তেমনই ধারে-ভারে পিছিয়ে ইরানও মাথা নত করতে রাজি নয়। আর তাই মহাসংঘাত আরও বেশ কিছু দিন চলতে পারে বলে আশঙ্কা!