নয়াদিল্লি:মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করার বিল লোকসভায় পেশ, আলোচনার জন্য লোকসভায় ২৫১-১৮৫ ভোটে গৃহীত হল বিল। মহিলা সংরক্ষণ সংশোধনী বিল এবং আসন পুনর্বিন্যাস বিল-সমেত ৩ বিল পেশ হয়েছে। লোকসভার আসন সংখ্যা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৮৫০ করতে আসন পুনর্বিন্যাস বিল পেশ। যদিও আসন পুনর্বিন্যাস বিলে তুমুল আপত্তি তুলেছে বিরোধীরা। এদিন মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রধানমন্ত্রী মোদি। এদিন তিনি স্পষ্ট বলেন, 'আজ বিরোধ করবেন যিনি, লম্বা সময় পর্যন্ত মূল্য চোকাতে হবে। '
"যারাই বিরোধিতা করেছেন, দেশের মহিলারা ওদের ক্ষমা করেননি.."
প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছেন, আমাদের দেশে যেদিন থেকে মহিলা সংরক্ষণ নিয়ে চর্চা হয়েছে, আর তারপর যখন যখন ভোট এসেছে, প্রতিটা ভোটে, মহিলাদের প্রাপ্ত এই অধিকার নিয়ে যারাই বিরোধিতা করেছেন, দেশের মহিলারা ওদের ক্ষমা করেননি। ..কিন্তু এটাও দেখুন, চব্বিশের ভোটে এরকমটা হয়নি। কেন হয়নি ? এই জন্য হয়নি , কারণ চব্বিশে সকলেই সহমত পোষণ করে পার করেছিল, তাই বিষয়টাই আসেনি। কারও পক্ষেই রাজনৈতিক সুবিধা আসেনি। কারও ক্ষতিও হয়নি। ..কারণ চব্বিশ সালে সকলে একসঙ্গে ছিল। কিছু মানুষ এখানে আছেন, কিছু মানুষ এখানে নেই।.. আমরা যদি সবাই একসঙ্গে যাই, তাহলে ইতিহাস সাক্ষী আছে, এটা দেশের গণতন্ত্রের পক্ষে যাবে।'
"আজ বিরোধ করবেন যিনি, লম্বা সময় পর্যন্ত মূল্য চোকাতে হবে.."
মোদির সংযোজন, 'যাঁরা এর নেপথ্যে রাজনীতি দেখছেন, গত ৩০ বছরে তাঁরা বুঝতে পেরেছে তাঁদের কী হয়েছে। পঞ্চায়েতে সংরক্ষণের বিরোধিতা করা হয়নি, এর কারণ তাঁরা মনে করত আমাদের কোনও ক্ষতি নেই। গত ২৫-৩০ বছরে পঞ্চায়েত নির্বাচনে জয়ী হয়ে আসা মহিলারা এখন রাজনীতিতে অভিজ্ঞ। তাঁরা আর এখন চুপ করে বসে থাকবে না। আগে মহিলারা ঝাড়ু ও সাফাইয়ের কাজে ব্যস্ত থাকত। এখন তাঁরা বলছে আমাদের নির্বাচনের সঙ্গেও যুক্ত করো। যাঁরা আজ এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করবে, তাঁদের এর মূল্য চোকাতে হবে। একবার সংসদে ৩৩ শতাংশ মহিলাদের আসতে তো দেওয়া হোক। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলাই আমার কাজ, আমার ক্ষেত্রে সংবিধান সবার ওপরে।'
