Indonesia Volcano Erupts: পূর্ব ইন্দোনেশিয়ার একটি বিশালাকায় আগ্নেয়গিরি (Indonesia Volcano) থেকে ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়েছে। আকাশ ফুঁড়ে উঠে আসছে তাল তাল পুঞ্জীভূত ধোঁয়া। আর এই অগ্ন্যুৎপাতের কারণে বালি-গামী সমস্ত এয়ার ইন্ডিয়ার (Volcanic Eruption) বিমান বাতিল করা হয়েছে জরুরি পরিস্থিতিতে। প্রায় ১২টিরও বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে এই ঘটনার কারণে।

গতকাল মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে মাউন্ট লেওটোবি লাকি-লাকি থেকে এই অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়। এর ফলে কর্তৃপক্ষ অগ্ন্যুৎপাতের প্রতিক্রিয়ায় দেশের সর্বোচ্চ চার স্তরের দুর্যোগ সতর্কতার ব্যবস্থাকে সক্রিয় করেছে। বালির আগে পর্যটন দ্বীপ ফ্লোরেসের দ্বি-শৃঙ্গ আগ্নেয়গিরিটি থেকে মেঘ ও ছাই একসঙ্গে ১৫৮৪ মিটার উচ্চতায় উঠে যায়। একটি বিবৃতিতে ইন্দোনেশিয়ার আগ্নেয়গিরি বিশেষজ্ঞ সংস্থা জানিয়েছে যে আগ্নেয়গিরির চূড়া থেকে প্রায় ১০ হাজার মিটার উপরে অগ্ন্যুৎপাতের স্তম্ভের উচ্চতা লক্ষ্য করা গিয়েছে। ঘন এবং তীব্র ধূসর রঙের এই ছাইয়ের স্তম্ভ দেখা গিয়েছে।

তাৎক্ষণিকভাবে কোনও ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। আর এই অগ্ন্যুৎপাতের কারণে বালি-গামী এয়ার ইন্ডিয়ার সমস্ত ফ্লাইট বাতিল হয়ে গিয়েছে। বেশ কয়েকটি বিমান সংস্থায় ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। অনেক যাত্রীই এর ফলে আটকে পড়েছেন। বহু মানুষের বিমান দেরিতে ছাড়বে বলে জানা গিয়েছে। পিটিআই জানিয়েছে, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইট A12145 বালি থেকে দিল্লিতে ফিরে আসে। সংবাদসূত্রে জানা গিয়েছে, ১৮ জুন ২০২৫ তারিখে দিল্লি থেকে বালিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার A12145 ফ্লাইটটি বালির বিমানবন্দরের কাছে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে পুনরায় দিল্লিতে ফেরত যাচ্ছে। এই বিমান নিরাপদে দিল্লিতে ফিরে আসে এবং সমস্ত যাত্রীকে নিরাপদে নামানো হয়।

অস্ট্রেলিয়ার একটি সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে, ভার্জিন অস্ট্রেলিয়া বিমান সংস্থা বুধবার ব্রিসব্রেন, মেলবোর্ন এবং বালির মধ্যে বেশ কিছু বিমানের উড়ান বাতিল করেছে এই আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে। বিমান সংস্থাটি ফ্লাইটগুলি গ্রাউন্ডেড করার প্রাথমিক কারণ হিসেবে এই নিরাপত্তা উদ্বেগের বিষয় উল্লেখ করেছে। জেটস্টার সংস্থাও একই পদক্ষেপ করেছে। প্রথমেই অস্ট্রেলিয়া থেকে বালিগামী চারটি ফ্লাইট বাতিল করে দেয় সংস্থা। এদিকে কোয়ান্টাস ঘোষণা করেছে যে তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে, বিকেলের পরে নির্ধারিত ফ্লাইটগুলি এখনও পর্যালোচনাধীন রয়েছে।

বালির আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ওয়েবসাইট থেকে জানা যাচ্ছে টাইগার এয়ার সিঙ্গাপুর এবং চিনের জুনেও এয়ারলাইন্সের বহু বিমান বাতিল করা হয়েছে এই অগ্ন্যুৎপাতের কারণে।