বেঙ্গালুরু: এবার এক পুলিশকর্তার ভাইরাল ভিডিও ফাঁস। এবার ফাঁস হয়ে গেল পুলিশকর্তার আপত্তিকর ভিডিও। ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, উর্দি পরিহিত অবস্থাতেই এক মহিলার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে রয়েছেন রামচন্দ্র। এই অভিযোগ ঘিরেই তোলপাড়। যদিও এই ভাইরাল ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি এবিপি আনন্দ।                                

Continues below advertisement

ডিজিপি অফিসের অন্দরের এই গোপন রেকর্ডিং প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। সোমবার সোশ্যাল মিডিয়ায় মহিলাদের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় থাকা একাধিক ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর কর্ণাটকের পুলিশের কর্তাকে রামচন্দ্র রাওকে বরখাস্ত করা হয়েছে।                        

জানা গিয়েছে ওই বরখাস্তের বয়ানে বলা হয়েছে, রামচন্দ্র রাও অশ্লীল আচরণ করেছেন। যা একজন সরকারি কর্মচারীর জন্য শোভনীয় নয় এবং সরকারের জন্যও বিব্রতকর। রাজ্য সরকার নিশ্চিত যে রাওয়ের আচরণ নিয়ম লঙ্ঘন করছে। রাজ্য সরকার প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত যে, কে. রামচন্দ্র রাওকে তদন্ত চলছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে বরখাস্ত করা প্রয়োজন।                                            

Continues below advertisement

বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার নজরে এলে তিনি সোমবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছ থেকে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেন। তার পরের দিনই রাজ্য সরকার ওই সিনিয়র পুলিশ অফিসারকে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নেয়। রামচন্দ্র রাও কর্ণাটকের সিভিল রাইটস এনফোর্সমেন্ট বিভাগের ডিরেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (ডিজিপি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি কন্নড় অভিনেত্রী এবং স্বর্ণ পাচার মামলায় অভিযুক্ত রান্যা রাওয়ের বাবা।                            

অন্যদিকে, ওই বরখাস্তের বয়ান অনুযায়ী, এই সাসপেনশন চলাকালীন রামচন্দ্র রাও রাজ্য সরকারের লিখিত অনুমতি ছাড়া কোনও পরিস্থিতিতে সদর দফতর ত্যাগ করতে পারবেন না। 

যদিও কে রামচন্দ্র রাও অভিযোগগুলি অস্বীকার করেছেন এবং এগুলিকে 'বানানো এবং মিথ্যা' বলে দাবি করেছেন। সোমবার এই ভিডিও ভাইরাল হতেই তিনি কর্ণাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জি পরমেশ্বরের সঙ্গে তাঁর বাসভবনে দেখা করতে ছুটে যান। কিন্তু সাক্ষাৎ হয়নি। তবে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রামচন্দ্র বলেন, 'আমি হতবাক। এটা সবই বানানো এবং মিথ্যা। ভিডিও সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমার এই সম্পর্কে কোন ধারণা নেই।'