নয়া দিল্লি: করাচি থেকে লাহোরগামী একটি বিমান মাঝ আকাশে ভয়ঙ্কর টার্বুলেন্সের মধ্যে পড়ে যায়।  লাহোরের আল্লামা ইকবাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের চেষ্টা করার সময় বিমানটি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে মধ্যে পড়ে যায়। যার ফলে গোটা বিমানের মধ্যে ভয়ঙ্কর এক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। সেই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশাল মিডিয়ায়। 

গলফ নিউজের তরফে বলা হয়েছে ফ্লাইটটি বেসরকারি বিমান সংস্থা ফ্লাই জিন্নাহ-অপারেট করে। লাহোরে অবতরণের সময়, বিমানটি খারাপ আবহাওয়ার সম্মুখীন হয়। টার্বুলেন্সে পড়ে যাওয়ায় দৃশ্যমানতাও কমে যায়। যার ফলে অবতরণের পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে পড়েছিল। নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে থাকায়, বিমান পরিবহন নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ পাইলটকে অবতরণ বাতিল করার নির্দেশ দেয় এবং পাইলট করাচিতে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।                                                         

ভাইরাল ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে যে, বিমানটি ভয়ঙ্করভাবে কাঁপছে এবং যাত্রীরা প্রাণভয়ে চিৎকার করছে সেখানে। যদিও এই ভাইরাল ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি এবিপি আনন্দ। 

ভিডিওটি শেয়ার করে @fl360aero নামে একজন ইনস্টাগ্রাম ইউজার লিখেছে, “আল্লামা ইকবাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের চেষ্টা করার সময় একটি তীব্র ঝড়ের কবলে পড়ে ফ্লাইট 9P842 / FJL842 মাঝ আকাশে বিপদের সম্মুখীন হয়। ফলে ফ্লাইটটি নামতে পারেনি। করাচিতেই ফিরে যেতে হয়।' 

এই ঘটনাটি সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। এক নেটিজেনের কথায়, "ভারত মূল্যবোধ বুঝতে পারে। আমরা মানবিক কারণে আমাদের আকাশসীমার উপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার জন্য তাদের অনুরোধ মেনে নিতাম। এটাই আমার ভারতের মহত্ত্ব।" 

আরেক ইউজার লিখেছেন, 'এখন বুঝতে পারছেন কেমন লাগে যখন ইন্ডিগো বিমানটিকে বিপদের সময় আপনাদের আকাশসীমা ব্যবহার করতে নাকচ করেছিল।' 

সম্প্রতি দিল্লি থেকে শ্রীনগরগামী ইন্ডিগোর একটি বিমান জম্মু ও কাশ্মীরের রাজধানীতে নিরাপদে অবতরণের আগে তীব্র ঝঞ্ঝা এবং শিলাবৃষ্টির সম্মুখীন হয় । সেই সময় পাইলটরা পাকিস্তানের আকাশসীমায় অস্থায়ী প্রবেশাধিকারের জন্য লাহোর এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন, তবে অনুরোধটি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল। সেই বিপদ নিয়ে অবতরণ করতে গিয়ে বিমানের সামনের অংশটি ভেঙে যায়। কোনওরকমে বরাতজোরে রক্ষা পায় ইন্ডিগোর যাত্রীরা।