নয়া দিল্লি: মাটি খুঁড়তেই হঠাৎ কীসের যেন শব্দ! যেন ধাতব কিছুতে লাগার আওয়াজ। আর এরপরই হইচই। রটে যায় পাওয়া গিয়েছে রত্নভাণ্ডার! এরপর আর ভিড় দেখে কে! মধ্যপ্রদেশের একটি গ্রামে মুঘল আমলের সোনা পুঁতে রাখার গুজব ছড়িয়ে পড়ে। যেখানে বুরহানপুরের ঐতিহাসিক দুর্গ আসিরগড়ের কাছে ক্ষেত খনন করতে শত শত মানুষ রাতে জড়ো হয়।
এই ঘটনার বেশ কয়েকটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। যদিও এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি এবিপি আনন্দ। একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে টর্চ এবং মেটাল ডিটেক্টর হাতে লোকজন মাটির ভেতরে তল্লাশি চালাচ্ছে। তারা ভিডিওতে জানায় যে তারা নিশ্চিত যে মাটির নিচে গুপ্তধন লুকিয়ে আছে।
ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে যে কিছু লোক সোনার মুদ্রা খুঁজে পাওয়ার দাবি করার পর। রাতের নিশ্চিদ্র অন্ধকারে যে যেখানে পারছে খনন করছে, যদিও এই 'মোহর পাওয়ার' বিষয় অফিসিয়ালভাবে নিশ্চিতকরণ করা হয়নি।
আরও পড়ুন, ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণে কাঁপল এলাকা! রিল বানানোর নেশায় উড়ল গোটা বাড়ি, চতুর্দিকে গ্যাসের গন্ধ
এদিকে, জমির মালিকরা তাদের ক্ষেত নষ্ট হওয়ায় হতাশ বলে জানা গেছে। অনেকেই এভাবে ক্ষেত নষ্ট করা নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। এক বাসিন্দার কথায়, 'আসিরগড় গুপ্তধন সন্ধানকারীদের ভিড় চোখে পড়ার মতো। হারুন শেখের জমিতে সোনার মুদ্রা পাওয়া যাচ্ছে এই খবর রটে যেতেই ভিড় জমতে শুরু করে'।
তবে কর্তৃপক্ষ এখনও সন্দেহ প্রকাশ করছে। বুরহানপুরের এসপি দেবেন্দ্র পাতিদার বলেন, 'আমরা রিপোর্টটি সম্পর্কে অবগত এবং তদন্ত করছি। যদি কেউ অবৈধভাবে খনন করতে গিয়ে ধরা পড়ে, তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।' বৃহস্পতিবার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়, কিন্তু ততক্ষণে ভিড় উধাও হয়ে যায়। ছিল কেবল নতুন খনন করা গর্ত, যেখানে কোনও গুপ্তধনের চিহ্ন ছিল না।
আপনার পছন্দের খবর আর আপডেট এখন পাবেন আপনার পছন্দের চ্যাটিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটস অ্যাপেও। যুক্ত হোন ABP Ananda হোয়াটস অ্যাপ চ্যানেলে