CM Suvendu Adhikari: কার্শিয়ঙে গিয়ে কচিকাঁচাদের গান শুনলেন মুখ্যমন্ত্রী, উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়ে কী বার্তা শুভেন্দুর ?

শুভেন্দু অধিকারী
উত্তরবঙ্গে গিয়ে বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর। এদিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, '১৫, ১৬ ও ১৭ জুন ১১০০ টি জায়গায় জনকল্যাণ শিবির রাজ্যের। পাহাড়ে উন্নতিই আসল লক্ষ্য বিজেপি সরকারের। আগের সরকার পাহাড়ের জন্য কোনও কাজ করেনি।'
তিনি বলেন, ' জিটিএ-কে আগের অর্থবর্ষে ১৮০ কোটি টাকা দিয়েছিল সরকার, কাজ হয়নি, দুর্নীতি হয়েছে। বিজেপি সরকার পাহাড়ের উন্নতির জন্য দ্বিগুণ টাকা দিতে বদ্ধপরিকর। আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা পাবে পাহাড়বাসী। আগামী দিনে কালিম্পং, দার্জিলিং যাব।'
জিটিএ-তে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় তদন্ত করবে সিবিআই। নবান্ন থেকে আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন মুখ্য়মন্ত্রী। মঙ্গলবার, ফের উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়ে দুর্নীতি নিয়ে জিটিএ-একে বিঁধলেন শুভেন্দু অধিকারী।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমি আপনাদের জিজ্ঞেস করছি, জিটিএ দুর্নীতির তদন্ত হওয়া উচিত? হওয়া উচিত? যে সব দুর্নীতিগ্রস্তরা আপনাদের আপনাদের টাকা চুরি করেছে, তাদের জেলে পাঠানো উচিত তো? জেলে পাঠানো উচিত তো? জোরে বলুন। আপনাদের উন্নয়নের স্বার্থে কাজ করবে এই সরকার।'
তিনি বলেন,'আমরা কাউকে ছাড়ব না। আমরা খাব না, খেতেও দেব না। যারা লুঠ করেছে, তাদের জেলে পাঠানোর কাজ করবে বিজেপি। পাশাপাশি, জিটিএ-তে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ করে স্বচ্ছ নিয়োগের আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বেকার যুব সমাজকে চাকরি দেওয়ার কাজ করছি, স্বচ্ছভাবে। জিটিএ-র মতো শিক্ষক নিয়োগে যে দুর্নীতি হয়েছে, সেভাবে এই সরকার নিয়োগ করবে না। পরীক্ষার মাধ্যমে স্বচ্ছভাবে আমরা শিক্ষিত ভাই-বোনেদের চাকরি দেওয়ার ব্যবস্থা করব।
এর আগে গত ২০ মে, শিলিগুড়ির ‘উত্তরকন্যায়’ প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠকে যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী। পাহাড়ের উন্নয়ন নিয়ে গতম মাসের ২৯ তারিখ নবান্নে বৈঠক করেন শুভেন্দু অধিকারী।
তৃণমূল জমানায় পাহাড়বাসীকে কীভাবে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে, তা নিয়ে সেই বৈঠক থেকে সরব হন তিনি। গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বা GTA–র আওতাধীন এলাকায় শিক্ষক নিয়োগ ঘিরে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগে উঠেছিল।
যা নিয়ে CBI তদন্তের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। এনিয়ে পরে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় তৎকালীন তৃণমূল সরকার।
রাজ্যে পালা বদলের পর, মুখ্য়মন্ত্রী ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে তৃণমূল সরকার যে মামলা করেছিল, তা থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বর্তমান বিজেপির সরকার।