Cyclone Jawad: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়, সতর্কতামূলক পদক্ষেপ শুরু প্রশাসনের

দুর্যোগের আশঙ্কায় সতর্কতামূলক পদক্ষেপ করা শুরু করেছে প্রশাসন
অন্ধ্র-ওড়িশা উপকূলে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়, বাংলায় প্রভাবের আশঙ্কা। পরিস্থিতি পর্যালোচনায় দিল্লিতে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী। এদিন মুম্বই থেকে কলকাতা ফিরেই নবান্নে জরুরি বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী।
ইতিমধ্যেই সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন। মাইকে চলছে প্রচার। পর্যটক ও মৎস্যজীবীদের জন্য রয়েছে বাড়তি সতর্কতা। এদিকে, ফসল বাঁচাতে পশ্চিম মেদিনীপুরে ধান ঘরে তোলা শুরু করেছেন কৃষকরা।
ঘণ্টায় ৯০ থেকে ১০০ কিমি বেগে ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়ার আশঙ্কা। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাংলায় উপকূলে ভারী বৃষ্টি, ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা। ইতিমধ্যেই কলকাতা-সহ ৭ জেলায় এনডিআরএফের ৮টি দল মোতায়েন। সোমবার পর্যন্ত দিঘা, মন্দারমণিতে পর্যটকদের সমুদ্রে নামায় নিষেধাজ্ঞা।
দুর্যোগের আশঙ্কায় এখন থেকেই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ করা শুরু করেছে প্রশাসন। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপ ও ডায়মন্ড হারবারের উপকূলবর্তী এলাকায় মানুষদের সচেতন করতে মাইকে চলছে প্রচার। সতর্ক করা হচ্ছে মৎস্যজীবীদেরও।
ইতিমধ্যেই, শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত মত্স্যজীবীদের সমুদ্রে যাওয়ায় জারি হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। কাকদ্বীপ, ডায়মন্ড হারবারের পাশাপাশি ক্যানিংয়েও চলছে মাইকে প্রচার।
ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি পূর্বাভাস রয়েছে ঝোড়ো হাওয়া বওয়ারও। এই আবহে পর্যটকদের জন্যও রয়েছে সতর্কবার্তা। পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘা, মন্দারমণি, তাজপুর, শঙ্করপুরে শনি থেকে সোমবার পর্যন্ত সমুদ্রের পাড়ে যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
এদিকে, প্রাকৃতিক দুর্যোগে যাতে মাঠের ফসল মাঠেই না মারা যায়, তারও তোরজোড় চলছে।পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনি, দাসপুর-সহ বিভিন্ন এলাকায় পাকা ধান কেটে ঘরে তোলায় ব্যস্ত কৃষকরা।
অন্যদিকে, মাঠে একবার জল জমে গেলে আর সম্ভব হবে না আলুবীজ পোঁতা। তাই বিপদ বুঝে ধান কাটার পাশাপাশি তড়িঘড়ি আলুবীজ পোঁতাও চলছে জোরকদমে।
জেলা প্রশাসনের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, কৃষকদের পাশে থাকতে যাবতীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
শনিবার অন্ধ্র-ওড়িশা উপকূলে ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়ার আশঙ্কায় শনিবার পর্যন্ত ৫৩টি দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল। হাওড়া থেকে ওড়িশা, দক্ষিণ ভারতগামী একাধিক ট্রেন বাতিল। (সব ছবি -ফাইল)