বাচ্চার ধ্যান-জ্ঞান মোবাইল, স্ক্রিনেই কাটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা, বারোটা বাজবে স্মৃতিশক্তির? গবেষণায় চাঞ্চল্যকর ফল
Continues below advertisement

স্ক্রিনেই কাটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা, বারোটা বাজবে স্মৃতিশক্তির? গবেষণায় চাঞ্চল্যকর ফল
Continues below advertisement
1/10
শিশুদের হাতে স্মার্টফোন তুলে দেওয়া কতটা নিরাপদ, তা নিয়ে নানারকম ব্যাখ্যা আছে। তবে এর কুপ্রভাব সম্পর্কে দীর্ঘদিন ধরেই সতর্ক করে আসছেন গবেষকরা। অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম শিশুদের নানা দিক থেকে প্রভাবিত করতে পারে ।
2/10
ফ্রান্সের Inserm এবং National University of Singapore-এর গবেষকরা এই বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করেছেন। তাঁদের গবেষণায় পরীক্ষা করা হয় শৈশবের নির্দিষ্ট সময়ে বেশি স্ক্রিন ব্যবহার পরবর্তী সময়ে শিশুদের পড়াশোনা এবং স্মৃতিশক্তির উপর কোনও প্রভাব ফেলে কি না।
3/10
গবেষকরা Growing Up in Singapore Towards healthy Outcomes (GUSTO) ৫০২ জন শিশুকে পর্যবেক্ষণে রাখে। শিশুরা বিভিন্ন বয়সে কতটা সময় স্ক্রিন দেখে কাটাচ্ছে, সেই তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
4/10
এই গবেষণার বিশেষত্ব হল, গবেষকরা শুধু একটি শিশু মোট কত ঘণ্টা স্ক্রিন দেখছে, তা দেখেননি। বরং কোন বয়সে শিশু বেশি সময় স্ক্রিন দেখে কাটাচ্ছে, সেটিও গুরুত্ব দিয়ে বিশ্লেষণ করেছেন। মোট ছয়রকম বয়সের শিশুদের স্ক্রিন ব্যবহারের তথ্য খতিয়ে দেখা হয়।
5/10
গবেষণাটি World Journal of Pediatrics-এ প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে দেখা গিয়েছে, শৈশবের একেবারে প্রথম দিকে বেশি মোবাইল স্ক্রিন দেখে কাটালে, পরবর্তী সময়ে পড়াশোনায় তুলনামূলক খারাপ ফল হতে পারে। স্মৃতিশক্তি দুর্বল হতে পারে।
Continues below advertisement
6/10
বিশেষ করে ১ বছর বয়সের সময় বেশি স্ক্রিন ব্যবহার করা শিশুরা পরবর্তীতে পড়াশোনায় দুর্বল হতে পারে। পারফরম্যান্স তুলনামূলকভাবে খারাপ হওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। একইসঙ্গে তাদের working memory ও দুর্বল হয়ে পড়ে।
7/10
শুধু একেবারে ছোট বয়স নয়, ৬ বছর বয়সে বেশি স্ক্রিন ব্যবহার করলেও পরবর্তী সময়ে মাথা তুলনামূলক ভাবে কম কাজ করে। মনে রাখার ক্ষমতা কমে।
8/10
তবে গবেষকরা এমনটা বলছেন না যে স্ক্রিন ব্যবহার করলেই শিশুর পড়াশোনা বা স্মৃতিশক্তি খারাপ হবে। বরং অতিরিক্ত সময় স্ক্রিনের সঙ্গে কাটালে এই সমস্যা হতে পারে।
9/10
তবে এর পিছনে আরও কিছু কারণ থাকতে পারে এবং বিষয়টি নিয়ে আরও গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে। গবেষকদের মতে, মানসিক বিকাশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শৈশবকাল। এছাড়া খেলাধুলা করা, বই পড়া, নিজের মতো করে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ভাবা এবং বাবা-মায়ের সঙ্গে সরাসরি সময় কাটানো দরকার।
10/10
তাই বাবা-মাকে খেয়াল রাখতেই হবে, ছোট শিশুরা যেন অতিরিক্ত সময় মোবাইলের সামনে না কাটায়। বাবা-মাকে সচেতন থাকতে হবে। স্মার্টফোন বা অন্যান্য ডিভাইসের ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ রাখতে হবে।সেই সঙ্গে খেলাধুলা, বই পড়া এবং পরিবারের সঙ্গে সরাসরি সময় কাটানোর বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।
Published at : 25 Aug 2026 04:12 PM (IST)