Gaps Between Meals: খাওয়ার উপর খাওয়া, অনেক ক্ষণ পেট খালি রাখা, দুইয়েই কিন্তু ঘোর সমস্যা তৈরি হতে পারে
Gap Diet: কত ঘণ্টা পর পর খাবেন, জেনে নিন।
খাওয়ার সময়ে কত ব্যবধান, জেনে নিন।
1/10
রোজকার ব্যস্ততায় সঠিক সময়ে খাওয়াই হয় না, তার উপর আবার খাবার সময়ের মধ্যেকার ব্যবধান! কিন্তু কত ঘণ্টা অন্তর খাচ্ছেন, তার উপর শরীরে বিপাকক্রিয়াও নির্ভর করে।
2/10
তাই সকাল, দুপুর, বিকেল, কখন খাচ্ছেন, তার মধ্যে কত সময়ের ব্যবধান থাকছে, সে দিকে খেয়াল রাখা জরুরি। চিকিৎসকদের মতে, খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে তিন থেকে পাঁচ ঘণ্টা ব্যবধান থাকা দরকার।
3/10
এর থেকে বেশি বা কম ব্যবধানে শরীরের বিপাকক্রিয়ার উপর প্রভাব পড়ে। কী কী ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে, জেনে নিন।
4/10
খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে লম্বা সময়ের ব্যবধান রাখলে চর্বি গলানোর পরিবর্তে শরীরে ফ্যাটের অবক্ষয় শুরু হয়।
5/10
অর্থাৎ ফ্যাটের পরিবর্তে পেশির গলতে গলতে শুরু করে। ফলে বিপাকক্রিয়া ক্রমশ নিস্তেজ হয়ে পড়তে শুরু করে। চর্বিহীন পেশির অবক্ষয় শুরু হয়।
6/10
একই ভাবে দিনে কম বার খাওয়ার অর্থ রক্তে শর্করার ভারসাম্য রক্ষায় প্রভাব পড়ে। অনেক ক্ষণ না খেলে, তার পর মুখের মধ্যে খাবার ঠুসে দিলে ক্যালরির ভারসাম্যও নষ্ট হয়।
7/10
আবার খাওয়ার উপর খেলেও শরীরে সমস্যা তৈরি হয়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় সংবহনতন্ত্র। রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা অত্যধিক বেড়ে যায়। ওজন বাড়ে।
8/10
দিনে যখন প্রথমবার খাবেন, তা হজম হওয়ার আগে ফের খেলে, প্রথম এবং দ্বিতীয় বারের খাবারের সঙ্গে প্রাপ্ত গ্লুকোজের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।
9/10
এর ফলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা অত্যধিক বেড়ে যায়। সংবহনতন্ত্র ভেঙে পড়তে শুরু করে। অত্যধিক ক্যালরির জন্য হজমের সমস্যাও দেখা দেয়।
10/10
তাই প্রত্যেক খাবারের মধ্যে ৩ থেকে ৫ ঘণ্টার ব্যবধান রাখার পক্ষে বিশেষজ্ঞরা। এতে ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকে। হজমের সমস্যাও হয় না। তাই পাঁচ ঘণ্টার বেশি ব্যবধান রাখবেন না খাবারের মধ্যে।
Published at : 24 Jul 2022 08:36 PM (IST)