Releasing Stress: চারপাশের কিছুই যখন ঠিক নেই, নিজেকে ঠিক রাখা জরুরি, মেনে চলুন কিছু নিয়ম

ছবি: ফ্রিপিক।
মানসিক চাপ কমবেশি সকলেরই থাকে। কখনও সেই মানসিক চাপ সহ্যের সীমা ছাড়ায়। বিভ্রান্ত বোধ করি আমরা, অসহায় লাগে নিজেকে।
এমন পরিস্থিতিতে কী করণীয় বুঝতে পারি না আমরা। সব কিছু হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে বলে মনে হয়। এমন পরিস্থিতিতে শান্ত থাকা অত্যন্ত জরুরি। নিজেকে সময় দেওয়া উচিত।
সবার আগে নিজেকে সামলে নেওয়া জরুরি। শুনতে একঘেয়ে লাগলেও, জোরে জোরে শ্বাস নিন। প্রথম ৪ সেকেন্ড শ্বাস নিন, ৪ সেকেন্ড সেভাবেই ধরে রাখুন, এর পর ৬ সেকেন্ড ধরে শ্বাস আস্তে আস্তে ছাড়ুন। বেশ কয়েক বার পুনরাবৃত্তি করুন।
কিছুতেই যখন মাথা ঠিক রাখতে পারছেন না, হাঁটুন, জগিং করুন, হালকা স্ট্রেচিংও চলতে পারে। এতে মেজাজ স্বাভাবিক হয়। একটু হলেও হালকা বোধ করবেন।
নিজেকে শান্ত রাখতে ধ্যান করুন। প্রাণায়াম করতে পারেন। ধ্যান করলেও উপকার পাবেন খুব বেশি সময় নয়, ৫-১০ মিনিট সময় দিন নিজেকে।
মানসিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে সঙ্গীতের যোগ রয়েছে। ভাল গান শুনুন এই সময়। গান পারে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে। কিছু ক্ষণ পর একটু হলেও হালকা লাগবে।
যখন কোনও কিছুতেই কাজ হবে না, হালকা গরম জলে স্নান করুন। এতে পেশি শিথিল হবে, শান্ত হবে মন। চাইলে জলে বাথ সল্ট বা এসেনশিয়াল অয়েল মেশাতে পারেন।
ছোটবেলায় নিজের মনে ডায়েরি লিখতেন নিশ্চয়ই! একই ভাবে কঠিন সময়ে নিজের ভাবনাচিন্তা ডায়েরিতে নথিবদ্ধ করতে পারলে উপকৃত হবেন। এতে নিজের আবেগ-অনুভূতি বুঝতে সুবিধা হবে নিজেরই। স্পষ্ট ধারণা পাবেন।
চারপাশে কিছুই যখন ঠিক নেই, প্রকৃতির মাঝে বেরিয়ে পড়ুন। পার্কে হাঁটুন বা হ্রদের পাশে বসুন কিছু ক্ষণ। প্রকৃতিকে অনুভব করুন। দেখবেন মনে শান্তি আসবে।
জীবনে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে থাকে না, সবকিছু মনঃপুত হয় না। কিন্তু ভাল দিকগুলিও একবার স্মরণ করুন। জীবনে অন্তত তিনটি প্রাপ্তির কথা লিখুন, যার জন্য আপনি কৃতজ্ঞ। এতে নিজেকে গুছিয়ে নিতে পারবেন। ডিসক্লেইমার : প্রতিবেদনে উল্লেখিত দাবি, পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। প্রয়োজনীয় চিকিৎসাপদ্ধতি/ডায়েট ফলো করার জন্য অবশ্যই বিশেষজ্ঞ / চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন ও সেইমতো নিয়ম মেনে চলুন।