Health Tips: রাতে খাওয়ার পর একটি ভুল, তাতেই মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে

ছবি: ফ্রিপিক।
দিনভর পরিশ্রমের পর আর শক্তি থাকে না শরীরে। তাই রাতের খাবার খেয়েই বিছানায় শরীর এলিয়ে দিই আমরা।
কিন্তু নৈশভোজের পর সঙ্গে সঙ্গে শুয়ে পড়া উচিত নয় বলে মত চিকিৎসকদের। এতে শরীরে হাজারো সমস্যা দেখা দেয় বলে মত তাঁদের।
অ্যাসিডিটি, ব্লোটিং, বুকজ্বালার সমস্যা নিয়ে অনেকেই চিকিৎসকের দ্বারস্থ হন। সারাক্ষণ পেট ফোলা লাগে বলেও জানান। এর দরুণ রাতে ঘুমও গভীর হয় না, একটুতেই ঘুম ভেঙে যায়।
মশলাদার খাবার খাওয়ার জন্য বা বেশি খেয়ে ফেলার দরুণ এমন সমস্যা হয় বলেই সাধারণত মনে করা হয়। কিন্তু আসল সমস্যা দৈনন্দিন অভ্যাসের মধ্যেই লুকিয়ে বলে মত চিকিৎসকদের একাংশের। বিশেষ করে রাতে খাওয়া হয়ে গেলেই সঙ্গে সঙ্গে ঘুমাতে যাওয়া ক্ষতিকর বলে মত তাঁদের।
চিকিৎসকদের মতে, নৈশভোজ সেরে ঘুমাতে যাওয়ার অভ্যাস অত্যন্ত ক্ষতিকর। এতে খাবার হজম করার সময়ই পায় না শরীর। কারণ হজম শুধুমাত্র এনজাইমের উপর নির্ভর করে না। মাধ্যাকর্ষণ শক্তিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
নৈশভোজের পর হাঁটলে, সক্রিয় থাকলে মাধ্য়কর্ষণ শক্তির প্রভাবে অ্যাসিড নির্ধারিত জায়গাতেই থাকে। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে শুয়ে পড়লে অ্যাসিড খাদ্যনালীতে প্রবেশ করে। এর ফলে বুকজ্বালা, খাবার উদ্গীরণের সমস্যা দেখা দেয়, অস্বস্তি হয় শরীরে।বার বার এমন ঘটলে খাদ্যনালী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। Gastroesophageal Reflux Disease-এর মতো রোগ দেখা দেয়। রিফ্লাক্স শুধুমাত্র অস্বস্তি তৈরি করে না, ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায়, গলায় কাঁটার মতো বেঁধে, কাশি হয়, অ্যাজমার সমস্যা থাকলে, তা আরও বেড়ে যায়।
বার বার এমন ঘটলে খাদ্যনালী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। Gastroesophageal Reflux Disease-এর মতো রোগ দেখা দেয়। রিফ্লাক্স শুধুমাত্র অস্বস্তি তৈরি করে না, ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায়, গলায় কাঁটার মতো বেঁধে, কাশি হয়, অ্যাজমার সমস্যা থাকলে, তা আরও বেড়ে যায়।
রাতে দেরি করে খাওয়াও সমস্যাজনক। অনেকেই রাত ৯টা বা ১০টার পর খাবার খান অনেকেই। এতে পাকস্থলীতে জায়গা তৈরির জায়গা পাওয়া যায় না। ফলে পেটের উপর চাপ পড়ে, অ্যাসিড তৈরি হয়। এর ফলে পেট ফোলা লাগে, অ্যাসিডিটি হয়, ঘুমও ভাল হয় না।
রাতে ভাল ঘুম না হলে, তা থেকেও হজমের সমস্যা দেখা দেয়। স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়। হজম ক্ষমতাও কমে যায় এতে।
সাম্প্রতিক কালে ভারতে রিফ্লাক্স এবং অ্যাসিডিটি সংক্রান্ত সমস্যা অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। রাতে দেরি করে খাওয়া, শারীরিক ভাবে যথেষ্ট সক্রিয় না থাকা, মদ্যপান, ধূমপান, স্থূলতাও সমস্যা বাড়িয়ে তুলছে।
তাই ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত দু’-তিন ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খেয়ে নেওয়া উচিত। রাতে খাওয়ার পর হাঁটার অভ্যাস ভাল। রাতে বেশি তেল-মশলা দেওয়া খাবার এড়িয়ে চলুন। সন্ধের পর মদ্যপান, ক্যাফিন যুক্ত পানীয় এড়িয়ে চললেও উপকার পাবেন।
ডিসক্লেইমার : প্রতিবেদনে উল্লেখিত দাবি, পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। প্রয়োজনীয় চিকিৎসাপদ্ধতি/ডায়েট ফলো করার জন্য অবশ্যই বিশেষজ্ঞ / চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন ও সেইমতো নিয়ম মেনে চলুন।