Skincare Tips: ব্রণ, চুলপড়া, একজিমা, মানসিক অসুস্থতার প্রভাব পড়ে ত্বকের উপরও
Mental Health: মন সুস্থ থাকলে, তবেই সুস্থ থাকবে শরীর এবং ত্বক। অন্যথায় হাজারো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
ছবি: পিক্সাবে।
1/10
ত্বক ভাল রাখতে কম-বেশি রূপচর্চা করি আমরা। কিন্তু মন ভাল না থাকলে, হাজার ঘষামাজাতেও পাল্টাবে না কিছু, মত বিশেষজ্ঞদের।
2/10
বিশেষজ্ঞদের মতে, মানসিক চাপ, উৎকণ্ঠা থেকেও ত্বকে সমস্যা দেখা দেয়। মানসিক অশান্তির মধ্যে দিয়ে গেলে স্ট্রেস হরমোন কর্টিসল নির্গত হয় শরীরে। তা থেকে সমস্যা দেখা দেয়।
3/10
মানসিক চাপ এবং উৎকণ্ঠা থেকে কর্টিসল বেশি মাত্রায় নির্গত হয়। এর ফলে ত্বক তৈলাক্ত হয়ে ওঠে। রোমকূপগুলি তাতে বন্ধ হয়ে যায়। তা থেকে ব্রণর সমস্যা দেখা দেয়।
4/10
একজিমার সমস্যা থাকলে, মানসিক সমস্যায় তা আরও বেড়ে যায়। এতে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা হারায় ত্বক। জ্বালাভাব, অ্যালার্জি আরও বেড়ে যায়।
5/10
একজিমার মতোই সোরাইসিসের সমস্যাও ত্বরাণ্বিত হয় মানসিক অশান্তির দরুণ। ত্বকের উপর লাল ছোপ দেখা দেয়।
6/10
রোসাসিয়া হলে মুখ লাল হয়ে যায়। ব়্যাশ বেরোয়। হাত বোলালে দানা দানা অনুভূত হয়। মানসিক চাপের দরুণ রক্তনালিগুলি স্ফীত হয়ে যায়। তাতেই মুখ জ্বালা করে, লাল হয়ে যায়।
7/10
মানসিক অশান্তিতে থাকলে হিস্টামিন নির্গত হয়। এতে ত্বক চুলকায়, ব়্যাশ বেরোয় এবং লাল হয়ে যায় ত্বক। একে বলে হাইভস।
8/10
মানসিক চাপ, উৎকণ্ঠা থেকে চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যাও দেখা দেয়। এই সময় ফলিকলগুলি অকার্যকর হয়ে পড়ে।
9/10
উৎকণ্ঠায় ভুগলে দরদর করে ঘামতে থাকি আমরা। বেশি মাত্রায় ঘাম হলে তাকে বলা হয় হাইপার হাইড্রোসিস। হাত-পা-ও ঘামে।
10/10
শুষ্ক ত্বকের নেপথ্যেও কাজ করে মানসিক চাপ, উৎকণ্ঠা। ত্বকের স্বাভাবিক কোমলতা হ্রাস পায়। এই সময় ত্বকের যত্নও নিই না আমরা। তাতে সমস্যা আরও বাড়ে। ডিসক্লেইমার : কপিতে উল্লেখিত দাবি, পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। প্রয়োজনীয় চিকিৎসাপদ্ধতি/ডায়েট ফলো করার জন্য অবশ্যই বিশেষজ্ঞ / চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন ও সেইমতো নিয়ম মেনে চলুন।
Published at : 15 Oct 2023 10:57 PM (IST)