Healthy Diet: উদ্বেগ দূরে রাখতে নজর ডায়েটেও

প্রতীকী ছবি
মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে এখন নানা জায়গায় নানাভাবে আলোচনা চলছে। মানসিক স্বাস্থ্যের কথা বললেই সামনে আসে Anxiety বা উদ্বেগজনিত সমস্যার কথা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন বিশ্বের অন্তত ৭.৬ শতাংশ বাসিন্দা এই সমস্যা ভোগেন।
বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, anxiety-তে ভুগলে সারাক্ষণ স্ট্রেস বা মানসিক চাপ থাকে। কোনও না কোনও কিছু নিয়ে উদ্বেগ চলতেই থাকে। সবসময় দুশ্চিন্তা হয়ে থাকে। সব মিলিয়ে দৈনন্দিন কাজে প্রভাব পড়ে।
ব্যায়াম, প্রাণায়ামের মাধ্যমে সমস্যার সুরাহা মেলে। এগুলো ছাড়াও উপযুক্ত পুষ্টিও anxiety disorder-এর ক্ষেত্রে সাহায্য করে থাকে। প্রয়োজনীয় পুষ্টিপদার্থ পেলে এই সমস্যা এড়ানো যায় বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। পালংশাক, বিট, ব্রকোলি-এই ধরনের সব্জি অ্যাংজাইটি কমাতে পারে।
যেকোনও বেরিজাতীয় ফলই উপকারী। বিশেষকরে ব্লুবেরি। এতে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ও ভিটামিন সি এবং বেশ কিছু খনিজ পদার্থ সুরাহা দিতে পারে।
প্রোটিন ও অ্যামাইনো অ্য়াসিড শরীরে নানা ভাবে প্রভাব ফেলে। mood-lifting neurotransmitters যেমন সেরোটোনিন (Serotonin) বৃদ্ধি পেলে অ্যাংজাইটির সমস্যায় সুরাহা মেলে। বাদামে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন ও অ্যামাইনো অ্য়াসিড থাকে।
খোসা সুদ্ধ শস্যদানায় ম্য়াগনেশিয়াম ও একাধিক খনিজের জোগান থাকে। যা এই সমস্যায় অত্যন্ত উপকারী। একই সঙ্গে জিরে, রসুন, তেতুঁল, লেবু, তুলসিও উদ্বেগ দূর করতে ভীষণ কার্যকরী।
একাধিক তথ্য বলছে সামুদ্রিক মাছ, বিশেষ করে স্যালমন Anxiety-থেকে মুক্তি মিলতে কার্যকরী।
ডার্ক চকোলেটে ফ্যাভোনল (Flavonol) নামের একটি যৌগ থাকে। এটি একটি উদ্ভিদ যৌগ যা অ্যান্টি অক্সিড্যান্টের মতো কাজ করে থাকে। এটিও উদ্বেগ বা anxiety-র সমস্যা কমাতে কাজ করে থাকে।
ডিসক্লেইমার : কপিতে উল্লেখিত দাবি, পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। প্রয়োজনীয় চিকিৎসাপদ্ধতি/ডায়েট ফলো করার জন্য অবশ্যই বিশেষজ্ঞ / চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন ও সেইমতো নিয়ম মেনে চলুন।