Insects and Lights: বিপদ জেনেও আটকাতে পারে না নিজেকে, আলো দেখলে কেন ছুটে যায় পতঙ্গ?

ছবি: পিক্সাবে।
‘পতঙ্গ যে রঙ্গে ধায়,ধাইলি,অবোধ,হায়...’, ‘আত্মবিলাপে’ বহুকাল আগেই লিখে গিয়েছিলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। তবে নেহাত কবির কল্পনা নয়, আলোর দিকে পতঙ্গ যে ধাবিত হয়, সে ব্যাপারে আমরা সকলেই অবগত। ছবি: ফ্রিপিক।
কিন্তু আলো দেখলে কেন ছুটে যায় পতঙ্গ? আলোর সঙ্গে কী যোগ রয়েছে তাদের? বিপদ জেনেও কেন বিরত হয় না? এই প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। ছবি: ফ্রিপিক।
আলোর দিকে পতঙ্গের ধাবিত হওয়ার নেপথ্যে বৈজ্ঞানিক কার্যকারণ রয়েছে বলে দাবি বিজ্ঞানীদের। এক্ষেত্রে দৃষ্টিবিভ্রমই দায়ী বলে মত তাঁদের। ছবি: ফ্রিপিক।
বিজ্ঞানীদের মতে, আলোই পতঙ্গদের গতিপথ নির্ধারণ করে। চন্দ্র এবং সূর্যের আলো দেখেই নিজেদের গতিপথ ঠিক করে নেয় তারা, ঠিক যেভাবে নাবিকরা চলতেন। ছবি: ফ্রিপিক।
কৃত্রিম আলো জ্বলে উঠতে দেখে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে পতঙ্গেরা। চাঁদ বা সূর্য ভেবেই ছুটে যায় সেদিকে। তাই শুধু ধেয়ে যাওয়া নয়, ওই আলোর চারিদিকে চক্করও কাটতে থাকে তারা। ছবি: ফ্রিপিক।
বিজ্ঞানীরা আরও জানিয়েছেন, ফুলের মধু খেয়ে বেঁচে থাকে অনেক পতঙ্গ, যা অতিবেগুনি রশ্মিকে প্রতিফলিত করে। বাল্ব থেকেও ওই একই মাত্রার অতিবেগুনি রশ্মি নির্গত হয়। তাই ফুল ভেবেও পতঙ্গেরা আলোর দিকে ধাবিত হয়। ছবি: ফ্রিপিক।
এ প্রসঙ্গে আরও একটি তত্ত্ব উঠে আসে, যা হল, জঙ্গলে আলো বলতে বিপদ থেকে বাঁচার রাস্তা বোঝায়। তাই আলো দেখলে পতঙ্গদের মনে হয়, ওই পথে কোনও বিপদ নেই হয়ত। তাই ছুটে যায় সেই দিকেই। ছবি: ফ্রিপিক।
খাবারের খোঁজেও আলোর দিকে ছুটে যেতে পারে পতঙ্গেরা। বিশেষ করে বাড়ির বারান্দা বা কাঠ জ্বালানো হলে, সেদিকে ধেয়ে যায় তারা। সেখানে আরও পতঙ্গ থাকতে পারে, যাতে তাদের পেট ভরতে পারে বলে মনে করে পতঙ্গেরা। ছবি: ফ্রিপিক।
শুধু তাই নয়, আলো দেখে পতঙ্গদের সঙ্গমের ইচ্ছেও জাগে বলে দাবি বিজ্ঞানীদের একাংশের। ১৯৬৫ সালে সেই নিয়ে একটি গবেষণাপত্রও প্রকাশিত হয়। ছবি: পিক্সাবে।
আবার সম্প্রতি প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে বলা হয়, আলোর অর্থ মাটি থেকে উপরে, অন্ধকারের অর্থ নিচে। মাধ্যাকর্ষণ শক্তির নিরিখে নিজেদের অবস্থান বুঝতে পারে না পতঙ্গ। তাই আলো দেখে বুঝে নেয় বলেও যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে। ছবি: পিক্সাবে।