নয়াদিল্লি: আজ রাতের আকাশে অভিনব দৃশ্যের সাক্ষী হবেন বিশ্ববাসী। ১ মে ‘ফ্লাওয়ার মুনে’র ২৯.৫ দিন পর আজ রাতের আকাশে দেখা যাবে ‘ব্লু মুন’, যাকে ‘মাইক্রো মুন’ও বলা হয়। ২০২৩ সালের অগাস্টের পর এই প্রথম একই মাসে দু’-দু’টি পূর্ণিমা পড়ল। (Blue Moon)

Continues below advertisement

‘ব্লু মুন’ হলেও চন্দ্রোদয়ের সময় চাঁদের রং কমলা বলেই ঠাহর হবে। যত রাত বাড়বে ধবধবে সাদা হবে। এর পর ধূসর হবে রং। চাঁদ নীলাভ রং তখনই ধারণ করবে, যদি আবহাওয়া অনুকুল হয়। পৃথিবীতে অগ্ন্যুৎপাত বা দাবানলের মতো ঘটনা ঘটলে, গাঢ় ধোঁয়া এবং ছাই বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগে প্রবেশ করে। (Micro Moon)

ভাসমান ওই কণার আকার যদি সঠিক হয়, লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের চেয়ে সামান্য বেশি হলেই লাল আলো বিক্ষিপ্ত হয়ে সরে যায় এবং বেরিয়ে আসে নীল আলো। বায়ুমণ্ডলের এই ফিল্টারের দরুণই চাঁদকে নীলাভ দেখায়। ক্রাকোটা অগ্ন্যুৎপাতের সময় এমনটাই ঘটেছিল। 

আরও পড়ুন: সোনারপুরে অভিষেকের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কিতে ধৃত আকাশ গায়েনের তৃণমূল সংযোগ, কী বলছে পরিবার?

আজকের ‘ব্লু মুন’ আবার আকারেও বেশ ছোট হবে, যে কারণে ‘মাইক্রো মুন’ও বলা হচ্ছে। কারণ এই সময় কক্ষপথে পৃথিবীর থেকে সবচেয়ে দূরে অবস্থান করছে চাঁদ। দেশের যে কোনও প্রান্ত থেকেই আজ এই ‘ব্লু মুন’ দেখা যাবে। টেলিস্কোপেরও প্রয়োজন নেই। খালিচোখেই পরিষ্কার দেখা যাবে। 

আরও পড়ুন: জাতীয় স্তরের প্যারা অ্যাথলিটকে গুলি করে খুন, জাপানে প্যারা এশিয়ান গেমসে যাওয়ার ঠিক আগে, গ্রেফতার প্রতিদ্বন্দ্বী

এর পর মাসিক ‘ব্লু মুন’ দেখা যাবে ২০২৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর। আর ঋতুভিত্তিক ‘ব্লু মুন’ ফের ২০২৭ সালের ২০ মে দেখা যাবে। এই দুই ধরনের ‘ব্লু মুন’ই আড়াই বছর অন্তর আবির্ভূত হয়। এই মুহূর্তে পৃথিবী থেকে ৪ লক্ষ ৬ হাজার ৩৬৯ কিলোমিটার দূরে রয়েছে চাঁদ। ফলে আজ বছরের সবচেয়ে দূরবর্তী পূর্ণিমার চাঁদ দেখতে পাবেন সকলে।

‘মাইক্রো মুনে’র একেবারে উল্টো অবস্থা আবার ‘সুপারমুন’। সেই সময় পূর্ণিমায় কক্ষপথের নিকটতম বিন্দুতে অবস্থান করে চাঁদ। NASA জানিয়েছে, ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর আকাশে ‘সুপারমুন’ দেখা যাবে।