নয়াদিল্লি: ফের তীব্র ভূমিকম্প জাপানে। এবার ভোরবেল কেঁপে উঠল মাটি। রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৬.৮। তবে এখনও পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনও খবর নেই। জারি হয়নি সুনামি সতর্কতাও। (Japan Earthquake)
Japan Meteorological Agency জানিয়েছে, রবিবার ভোর ৫টা বেজে ২১ মিনিটে ভূমিকম্প হয়। ইওয়াতের পূর্ব উপকবলে, ভূগর্ভের ৪১ কিলোমিটার গভীরতা থেকে ছড়িয়ে পড়ে কম্পন। আওমোরিরতে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৭। সেখানে হিগাসিডোরি পরমাণু কেন্দ্রও রয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে খবর নেই। (Earthquake News:)
এর আগে, বৃহস্পতিবারই ৭.২ তীব্রতায় কেঁপে উঠেছিল জাপান। ওই একই জায়গায় কম্পন অনুভূত হয়েছিল সেই সময়। আহত হয়েছিলেন কমপক্ষে ১০ জন। তার পর আবার শুক্রবার দু’-দু’বার কেঁপে ওঠে জাপান। তীব্রতা ছিল যথাক্রমে ৫.৬ এবং ৫.৮। দেশের রাজধানী টোকিওতে পর্যন্ত কম্পন অনুভূত হয় সেবার।
শুক্রবারই সকাল ১১টা বেজে ৪৯ মিনিটে দক্ষিণের ইবারাকি কেঁপে ওঠে। কম্পনের তীব্রতা ছিল ৪.১। দেশের উত্তর-পূর্বে ৭.২ তীব্রতায় কম্পন অনুভূত হয়। ঘন ঘন এত তীব্রতার কম্পন ঘিরে উদ্বেগ বাড়ছে।
জাপান এমনিতেই ভূমিকম্প প্রবণ দেশ, পাশাপাশি সুনামি প্রবণও। আগামী দিনে আরও কম্পনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে শুক্রবার মাউন্ট ফুজি সংলগ্ন এলাকাও ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে।
আরও পড়ুন: ইরানকে মুছে ফেলার হুমকি ট্রাম্পের, বললেন, ‘অস্তিত্বই থাকবে না’
তবে শুধু জাপানই নয়, সম্প্রতি ভূমিকম্পে লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছে ভেনিজুয়েলাও। ৭.২ এবং ৭.৫ তীব্রতায় সেখানে পর পর দু’টি ভূমিকম্প হয়। তার পর অনুভূত হয় আফটারশকও। কিন্তু ভেনিজুয়েলা যেখানে লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছে, জাপান কী করে অক্ষত রয়েছে, সেই নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, জাপান এবং ভেনিজুয়েলা, দুই দেশই ভূমিকম্প প্রবণ। তবে দুই দেশের নীচে যে চ্যুতিরেখা রয়েছে, তা পরস্পরের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। পাশাপাশি, জাপান গোড়া থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে আসছে। ভূমিকম্প সইতে পারে, এমন নির্মাণকার্য চালানো হয় সেখানে। প্রকৃতির খামখেয়ালির কথা মাথায় রেখে নিয়ম-কানুন একেবারে আঁটোসাটো। তাই ভেনিজুয়েলা মৃত্যুপুরীতে পরিণত হলেও, জাপানে তেমন প্রভাব পড়েনি।
