নাটকীয় ঘাত-প্রতিঘাত, শেষ ওভারে মাহমাদুল্লার ছক্কায় শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে জয়ের পর মাঠে নাগিন ড্যান্স, উৎসবের জেরে ভাঙল বাংলাদেশের ড্রেসিংরুমের কাঁচ
পুরো ঘটনা নিয়ে এখনও আইসিসি-র প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি। সম্ভবত আজ প্রতিক্রিয়া জানাবে আইসিসি।
বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্ট এজন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে বলে জানা গেছে।
পরে বাংলাদেশের ড্রেসিংরুমের দরজার কাঁচ ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায়। সম্ভবত জয়ের উচ্ছ্বাস প্রকাশের সময়ই ওই ঘটনা ঘটে।
মাহমুদুল্লার ছয়ে জয়ের পর নাগিন ড্যান্স-এর মাধ্যমে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা।
শেষপর্যন্ত ম্যাচ আধিকারিকদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে মাঠে। মাঠে জল নিয়ে আসার সময় বাংলাদেশের নুরুল হাসানের সঙ্গে শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক থিসারা পেরেরার কথাকাটাকাটি শুরু হয়।
খেলার এই উত্তেজনা দুই দেশের ক্রিকেটারদের ওপরও ছাপ ফেলে। কাঁধের সমান উঁচু একটি বলে ব্যাট লাগাতে পারেননি বাংলাদেশের ব্যাটসম্যান মুস্তাফিজুর রহমান। মাহমুদুল্লাহকে স্ট্রাইক দিতে গিয়ে রান আউট হয়ে যায় তিনি। ওই বলটি নো-বল ডাকা নিয়ে বিতর্ক বাঁধে। নো-বল না দেওয়ায় প্রতিবাদে বাংলাদেশের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান দুই ব্যাটসম্যানকে ফিরে আসার ইঙ্গিত দেন। শেষপর্যন্ত বাংলাদেশ দলের ম্যানেজারের কথায় খেলা চালিয়ে যান দলের ব্যাটসম্যানরা।
শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১২ রানের প্রয়োজন ছিল। মাহমুদুল্লাহ নাটকীয় ভাবে ছয় মেরে দলের জয় নিশ্চিত করেন।
রান তাড়া করতে নেমে ওপেনার তামিম ইকবাল (৪২ বলে ৫০) এবং মিডল অর্ডারে অন্য কয়েকজনের ইনিংসের সুবাদে জয়ের লক্ষ্যের কাছাকাছি চলে আসে বাংলাদেশ।
প্রথমে ব্যাট করে শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য ১৬০ রানের লক্ষ্য রাখে। কুশল পেরেরা (৪০ বলে ৬১ এবং থিসারা পেরেরা (৩৭ বলে ৫৮)-র ইনিংসে ভর করে প্রাথমিক ধাক্কা সামলে ১৫৯ রান করে শ্রীলঙ্কা।
শেষ দুই বলে জয়ের জন্য বাংলাদেশের দরকার ছিল ৬ রান। মাহমুদুল্লা (৪৩ অপরাজিত) ছয় মেয়ে দলকে লক্ষ্যে পৌঁছে দিলেন।
শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে এক বল বাকি থাকতে ২ উইকেটে জিতে নিদাহাস টি ২০ সিরিজের ফাইনালে উঠল বাংলাদেশ। ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি তারা।