দুবাই: বিশ্বে এমনটা এর আগে কখনও হয়নি। কোনও দল টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরও ট্রফি নিতে মঞ্চেই উঠল না। এশিয়া কাপ জয়ের পর ভারতীয় দল ট্রফি নিতে চায়নি। এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভাপতি মহসিন নকভি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডেরও প্রধান ও পাক মন্ত্রী। ফলত তাঁর হাত থেকে ট্রফি নেননি সূর্যকুমার। যা নিয়ে ম্য়াচের পরও বিতর্ক দানা বাঁধে। 

ম্যাচের পর সাংবাদিক বৈঠকে এসেছিলেন সূর্যকুমার। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অভিষেক শর্মা। ভারত অধিনায়ককে স্বভাবতই ট্রফি না নেওয়ার ইস্যুতে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। সূর্য বলেন, ''আমি যেদিন থেকে ক্রিকেট খেলা শুরু করেছি। যেদিন থেকে ক্রিকেট দেখা শুরু করেছিলাম, সেদিন থেকে এমনটা আর আগে কখনও দেখিনি। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর সেই দল ট্রফি নিচ্ছে না, এমনটা হয়নি কখনও। তবে আমার মতে দলের ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফরাই আসল ট্রফি। সবাই বলছে ভারত এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন। ব্যাস, এটাই প্রাপ্তি। আর কিছু চাই না। তবে এটা পাওয়ার যোগ্য দাবিদার ছিলাম আমরা। গত ৪ সেপ্টেম্বর থেকে এখানে আছি আমরা। ভাল ম্য়াচ খেলেছি আমরা। এই জয় আমাদের প্রাপ্য ছিল।''

 

গ্রুপ পর্বের ম্যাচে পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের সঙ্গে হাত না মেলানোর সিদ্ধান্ত থেকে এই ট্রফি জিতেও মহসিন নকভির থেকে কাপ না নেওয়ার সিদ্ধান্তে অটল ছিল ভারতীয় প্লেয়াররাম্য়াচের পর পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে উপস্থাপক সাইমন ডুল ঘোষণা করেন যে ভারতীয় ক্রিকেটাররা পুরস্কার নিতে আসবেন না। এরপরই পাকিস্তানের প্লেয়ারদের রানার্স আপ মেডেল দিয়ে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষ হয়ে যায়। পাকিস্তান অধিনায়ক সলমন আলি আঘার হাতে রানার্স আপ চেক তুলে দেওয়া হলে, তিনি তা মাঠেই ছুড়ে ফেলে দেন।

ম্যাচে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে পাকিস্তান ১৪৬ রান বোর্ডে তুলেছিল। শুরুতে পাওয়ার প্লে ও প্রথম দশ ওভারে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছিল পাক শিবির। কিন্তু মিডল ও লোয়ার অর্ডার রান না পাওয়ায় দেড়শোর গণ্ডিও পেরতে পারেনি তারা। রান তাড়া করতে নেমে তিলক বর্মা অর্ধশতরান হাঁকান। শিবম দুবে ও সঞ্জু স্যামসন গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন। ২ বল বাকি থাকতে ম্য়াচ জেতে ভারত।