আবুধাবি: এশিয়া কাপের গ্রুপপর্বে নিজেদের শেষ ম্য়াচে ওমানের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল ভারত। আমিরশাহি ও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আগের দুটো ম্য়াচ জিতে আগেই সুপার ফোর নিশ্চিত করে ফেলেছিল ভারতীয় ক্রিকেট দল। কিন্তু এই ম্য়াচ ছিল রিজার্ভ বেঞ্চ পরীক্ষা করার। ওমানের মত দুর্বল দলের বিরুদ্ধে ২১ রানে জয় পেলেও গম্ভীর বাহিনী কিন্তু একটু হলেও চিন্তায় থাকবে। কারণ ওমান যে দাপট দেখিয়েছে মাঠে, তাতে ভারত ম্য়াচ জিতলেও হৃদয় কিন্তু জিতে নিয়েছে তারা।
১৮৯ রানের বিশাল লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমেছিল ওমান। উল্টোদিকে অর্শদীপ সিংহ, হর্ষিত রানা, হার্দিক পাণ্ড্য, কুলদীপ যাদব, অক্ষর পটেলরা। কিন্তু একেবারেই ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলেছিল ওমান। অর্ধশতরান হাঁকিয়েছিলেন আমির কালিম ও হাম্মাদ মিরজা। ম্য়াচ শেষে ওমানের প্রশংসায় পঞ্চমুখ সঞ্জু স্যামনসও। ম্য়াচের শেষে সাংবাদিক বৈঠকে এসে তারকা উইকেট কিপার ব্যাটার বলেন, ''বাইরে বেশ ভালই গরম ও আর্দ্রতা রয়েছে। আমি শেষ কয়েক সপ্তাহে আমার ফিটনেস নিয়ে প্রচুর খেটেছি। আমরা ব্রঙ্কো টেস্টে অংশ নিয়েছিলাম নতুন ট্রেনার আসার পর। ক্রিজে সময় কাটাতে পেরেছি, এটা আমার জন্য ভাল। কিন্তু ওমান দুর্দান্ত বোলিং করেছে। পাওয়ার প্লে-তেও চাপে রেখেছিল আমাদের। ওরা প্রশংসার প্রাপ্য। আমি নিজের ক্ষমতা সম্পর্কে জানি। নিজের শক্তি সম্পর্কে জানি। সেই অনুযায়ীই খেলেছি। দেশের জন্য ব্যাট হাতে রান করতে পেরেছি, এটাই আমার কাছে বিশাল প্রাপ্তি। আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।''
উল্লেখ্য, এশিয়া কাপে ওমানের বিরুদ্ধে ম্য়াচে নজির গড়েছেন অর্শদীপ সিংহ। ওমানের বিরুদ্ধে চার ওভার বল করে ৩৭ রানের বিনিময়ে একটিমাত্র উইকেটই পান অর্শদীপ। এই উইকেটটি ছিল আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি কেরিয়ারে তাঁর শততম উইকেট। যশপ্রীত বুমরা, যুজবেন্দ্র চাহাল থেকে হার্দিক পাণ্ড্য, আর কোনও ভারতীয় বোলারই আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি শতাধিক উইকেট নেননি। এই ঐতিহাসিক মাইলফলক সর্বপ্রথম পার করলেন অর্শদীপ। তাঁর ১০০টি টি-টোয়েন্টি উইকেট নিয়েছেন মোট ৬৪ ম্য়াচ খেলে। এক্ষেত্রে রশিদ খান ৫৬ ম্য়াচে ও ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ৬৩ ম্য়াচ খেলে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ১০০ উইকেট নিয়েছেন।
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্য়াচের আগে জসপ্রীত বুমরাকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল। বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল বরুণ চক্রবর্তীকেও। তবে রবিবার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হাইভোল্টেজ ম্য়াচে সবাই ফিরবেন। সেক্ষেত্রে পাকিস্তান ম্য়াচের আগে নিঃসন্দেহে বিশ্রাম নিয়ে এসে আরও ধারালো হয়ে উঠেছেন বুমরা।