দুবাই: টি টোয়েন্টি ফর্ম্যাটে ভারতের অধিনায়ক তিনি। দেশের সেরা ব্যাটারও মানা হয় সূর্যকুমার যাদবকে। কিন্তু গত এক বছরে ছবিটা একটু হলেও পাল্টেছে। তার অন্যতম কারণ ডানহাতি ব্যাটারের ফর্ম। চলতি বছরে একেবারেই নিজের ফর্মে নেই সূর্য। চলতি এশিয়া কাপেও গ্রুপ পর্বের পাকিস্তান ম্যাচ ছাড়া সব ম্যাচে ব্যাট হাতে ব্যর্থ। তবে স্কাইয়ের ব্যাটিং ফর্ম নিয়ে চিন্তার কিছু নেই বলেই মনে করেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন।
পাঁচ ম্য়াচে এখনও পর্যন্ত এশিয়া কাপের মঞ্চে সূর্যকুমারের ঝুলিতে রয়েছে মাত্র ৭১ রান। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গ্রুপের ম্য়াচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অপরাজিত ৪৭ রানের ইনিংসটি রয়েছে তার মধ্যে। এছাড়া বাকি চারটি ম্যাচে একেবারে ফ্লপ। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে এশিয়া কাপ ফাইনালের আগে ভারতের প্রস্তুতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অশ্বিন জানিয়েছেন, ''সবাই সূর্যকুমারের গড় নিয়ে কথা বলছে। অধিনায়ক হওয়ার পর ওর গড় নাকি নেমে গিয়েছে। কিন্তু আমি অন্য়ভাবে দেখব বিষয়টাকে। এখান থেকেই নতুন ধরণের ক্রিকেট দেখিয়েছে সূর্য। অধিনায়ক হিসেবে অনেক হাই রিস্কের ম্য়াচে সূর্য দারুণভাবে সামলে নিয়েছে। কখনও নিজের ফর্ম, নিজের রান নিয়ে ভাবেনি। দলের স্বার্থই ওর কাছে সবার আগে ছিল। রোহিতও ঠিক তেমনই ছিল। সূর্যও তেমনভাবেই খেলে। টি-টোয়েন্টি ফর্ম্য়াটে গড় নয়, কতটা প্রভাব ফেলছে আপনার ইনিংস, সেটাই বিবেচ্য। সেখানে সূর্য একশোয় একশো পাবে।''
অধিনায়ক হওয়ার পর থেকে সূর্যকুমার মোট ১৯ ইনিংসে ৩২৯ রান করেছেন। ১৯.৩৫ গড়ে ব্যাটিং করেছেন তিনি। ১৪৫ স্ট্রাইক রেট। মাত্র দুটো অর্ধশতরান এসেছে এরমধ্যে। ২০ রান বা তার বেশি মাত্র ৬ বার করতে পেরেছেন নেতৃত্বভার পাওয়ার পর থেকে। অশ্বিন বলছেন, ''সূর্যকুমারের স্ট্রাইক রেট যদি ১৭০ হয়, আর গড় যদি ২৫ হয়, আমি তাতেই খুশি। কিন্তু গড় ৪০ অথচ স্ট্রাইক রেট ভীষণ নীচের দিকে, এতে কোনও লাভ হয় না।''
২০২৫ সালে এখনও পর্যন্ত চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত ১০ ইনিংস খেলে মাত্র ৯৯ রান করতে পেরেছেন। গড় ১৩-র কাছাকাছি। ১১০ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করেছেন সূর্য। গ্রুপ পর্বের পাকিস্তানের বিরুদ্ধে করা অপরাজিত ৪৭ই এই বছরে তাঁর ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান। উল্লেখ্য, গত বছর রোহিত শর্মার নেতৃত্বে টি-টােয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতে ভারত। এরপর রোহিত অবসর নিলে সূর্যকেই অধিনায়ক হিসেবে বেছে নেওয়া হয়।