পারথ: ভারতের ব্যাটিংয়ের পরেই ম্য়াচের দেওয়াল লিখনটা লেখা হয়ে গিয়েছিল। বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে প্রথমে ১৩৬ রানে অল আউট হয়ে গিয়েছিল টিম ইন্ডিয়া। ডি এল এস মেথডে অস্ট্রেলিয়ার লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৬ ওভারে ১৩১। সেই রান তাড়া করতে নেমে ২১.১ ওভারে জয়ের জন্য় প্রয়োজনীয় রান তুলে নিল অজি শিবির। ৭ উইকেটে জিতে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ভারতীয় দল।.

Continues below advertisement

১৩১ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে রান তাড়া করতে নেমেছিল অস্ট্রেলিয়া। আসলে ডি এল এস মেথডে অজিদের লক্ষ্য কমে যায়। ১৩১ রানের লক্ষ্যমাত্রা দাঁড়ায় মার্শ বাহিনীর জন্য। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ওপেনে নেমেছিলেন মিচেল মার্শ ও ট্রাভিস হেড। ভারতীয় দলের হয়ে প্রথম ওভার করতে এসেছিলেন মহম্মদ সিরাজ। তবে প্রথম অজি শিবিরে আঘাত হানেন অর্শদীপ সিংহ। তিনি ফিরিয়ে দেন ট্রাভিস হেডকে। ৮ রান করে হর্ষিত রানার হাতে ক্য়াচ দিয়ে ফিরে যান অজি ওপেনার। ম্য়াথু শর্টও বেশি রান করতে পারেননি। তিনিও ৮ রান করে ফিরে যান অক্ষর পটেলের বলে রোহিত শর্মার হাতে ক্যাচ দিয়ে। কিন্তু মিচেল মার্শ একিদেক ক্রিজে নিজেকে সেট করে চালিয়ে খেলছিলেন। জশ ফিলিপের সঙ্গে জুটি বেঁধে অস্ট্রেলিয়ার জয়ের ভিত গড়ে দেন অজি অধিনায়ক নিজেই। ফিলিপে ৩৭ রান করে আউট হন। মার্শ উল্টোদিকে ৪৬ রানে অপরাজিত থাকেন। ম্য়াট রেঁনেশ ২১ রান করে অপরাজিত থাকেন। 

Continues below advertisement

এদিন টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অজি অধিনায়ক মিচেল মার্শ। প্রথম ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন ভারতীয় দলকে। টিম ইন্ডিয়ার হয়ে ওপেনে নেমেছিলেন শুভমন গিল ও রোহিত শর্মা। প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক মাত্র ৮ রান করেই প্যাভিলিয়নে ফেরেনজস হ্যাজেলউডের বলে ক্যাচ আউট হন তিনি। গিলও মাত্র ১০ রান করেন। খাতাই খুলতে পারলেন না বিরাট কোহলিস্টার্কের শিকার হলেন তিনি। অক্ষর ৩১ ও রাহুল ৩৮ রানের ইনিংস খেলেন। দুজনে ফেরার পর আর সেভাবে কোনও ব্যাটার হাল ধরতে পারেননি। একমাত্র নীতীশ রেড্ডি লোয়ার অর্ডারে নেমে ১৯ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেন। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২৬ ওভারে ১৩৬ রান বোর্ডে তুলতে পারে ভারত ৯ উইকেট হারিয়ে।