ব্রিসবেন: বৃহস্পতিবার ৪ ডিসেম্বর থেকে শুরু হতে চলেছে অ্য়াশেজের দ্বিতীয় টেস্ট। দিন রাতের ম্য়াচটি হবে ব্রিসবেনের গাব্বায়। ম্য়াচের ২৪ ঘণ্টা আগেও ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশ ঘোষণা করল না। সাধারণত যে কোনও টেস্ট সিরিজে ম্য়াচের আগের দিনই একাদশ ঘোষণা করে দেয় অস্ট্রেলিয়া। তবে এক্ষেত্রে ব্য়তিক্রম হয়েছে। প্যাট কামিন্সের দলে ঢোকার সম্ভাবনা রয়েছে। তাহলে কি তারকা পেসারকে নিয়েই টানাপোড়েন দেখা গিয়েছে?
ম্য়াচের আগের দিন সাংবাদিক বৈঠকে এসেও অস্ট্রেলিয়া একাদশ সম্পর্কে কোনও নিশ্চয়তা দেননি স্টিভ স্মিথ। কামিন্সের অনুপস্থিতিতে ডানহাতি ব্যাটারই পারথে নেতৃত্বভার সামলেছিলেন। যদিও গাব্বা টেস্টের একাদশ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে স্মিথ জানিয়ে দেন খেলার আগে আগে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে চূড়ান্ত। এদিকে, চোটের জন্য ওসমান খাওয়াজা যে খেলছেন না গাব্বায়, তা মোটামুটি নিশ্চিত। তাঁর পরিবর্তে প্রথম একাদশে ঢুকে পড়তে পারেন জশ ইংলিশ। সাদা বলের ফর্ম্য়াটে অজি স্কোয়াডের অটোমেটিক চয়েস ইংলিশ। কিন্তু টেস্ট ফর্ম্য়াটেও এবার নিজেকে মেলে ধরার সুযোগ পাবেন তিনি।
পারথে নেটে বোলিং করতে দেখা গিয়েছিল কামিন্সকে। তবে গত শুক্রবার ১৪ সদস্যের যে দল ঘোষণা করা হয়েছিল সেখানে তারকা পেসার ছিলেন না। কিন্তু অফিশিয়ালি কামিন্স কিন্তু অজি দল থেকে ছিটকে যাননি।
উল্লেখ্য, চলতি অ্যাশেজে যে ইংল্য়ান্ড একাদশ খেলছে, তার মধ্য়ে চারজন স্টোকস, রুট, ক্রলি ও পোপ শুধুমাত্র গোলাপি বলের দিন রাতের টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে খেলেছেন আগে। স্টোকস বলছেন, ''অনেক দলই গাব্বায় গিয়েছে ও অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টেস্টে হেরেছে। কিন্তু এটা নতুন মাঠ। আমাদের দলেও প্রচুর মুখ রয়েছে, যারা আগে অ্য়াশেজে দিন রাতের টেস্ট খেলেনি। তাঁদের কাছে এটি নতুন চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে।''
স্টোকস আরও বলছেন, ''বিশ্বাসটা অনেক ব়ড় ইস্যু। আমি আমার ১১ জন প্লেয়ারকেই বলেছি যে তােমাদের প্রতি আমার বিশ্বাস রয়েছে। শুধু তোমাদের খেলার প্রতিই নয়, তোমাদের প্রতিটা সিদ্ধান্ত নেওয়ার ওপরও আমার আস্থা রয়েছে। টেস্টের চ্যালেঞ্জ দারুণভাবে নিতে পারবে সবাই, আমি নিশ্চিত।''
২০১৫ সালের পর থেকে অ্যাশেজে জিততে পারেনি ইংল্যান্ড। বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে খেলতে গিয়ে শেষবার যখন ইংল্যান্ড অ্য়াশেজ জিতেছিল, সে সময় ব্রিটিশদের ক্যাপ্টেন ছিলেন অ্যালিস্টার কুক। স্টোকস কি পারবেন দ্বিতীয় টেস্ট জিতে সিরিজে সমতা ফেরাতে।