ঢাকা: টি-টোয়েন্টি ফর্ম্য়াটে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কোনও বাংলাদেশি ব্য়াটারের শতরান। ২০১৬ সালের পর ২০২৫। তামিম ইকবালের পর পারভেজ ঈমন। এই ফর্ম্য়াটে দ্বিতীয় বাংলাদেশি ব্যাটার হিসেবে শতরান হাঁকালেন ২২ বছরের তরুণ ব্যাটার। তরুণ বাঁহাতি ওপেনারের ৫৪ বলে শতরানের সৌজন্যে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বিরুদ্ধে ২৭ রানে জয় ছিনিয়ে নিল লিটন দাসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশি ক্রিকেট দল।

আমিরশাহী টস জিতে ম্য়াচে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। দ্বিতীয় ওভারে তানজিদ হাসানের উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর লিটনের সঙ্গে জুটি বাঁধেন ঈমন। এই নিয়ে অষ্টম টি-টায়েন্টি আন্তর্জাতিক খেলে ফেলেছেন ঈমন। আগের সাত ম্য়াচে সেভাবে বড় রান পাননি। এদিন শুরু থেকেই মারমুখি মেজাজে ব্য়াটিং করছিলেন। লিটন ১১ রান করে ফিরে গেলেও পারভেজকে আটকাতে পারেননি আমিরশাহির বোলাররা। পাওয়ার প্লে-তে ৫৫/২ ছিল বাংলাদেশের স্কোর। সেখান থেকে গিয়ার পাল্টে ফেলেন পারভেজ। আরও দ্রুত রান তোলার শুরু করে দেন। ইনিংসের নবম ওভারে মাত্র ২৮ বলে অর্ধশতরান পূরণ করেছিলেন ঈমন। 

তৌহিদ হৃদয় ১৫ বলে ২০ রানের ইনিংস খেলেন। উইকেট কিপার জাকের আলি ১৩ রান করেন। মেহদি হাসান রান পাননি। তবে লোয়ার অর্ডারকে নিয়েই নিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি শতরান পূরণ করে ফেলেন পারভেজ। ৫৪ বলের ইনিংসে পাঁচটি বাউন্ডারি ও ৯টি ছক্কা হাঁকান তিনি। এর আগে ২০১৬ টি-টােয়েন্টি বিশ্বকাপে তামিম ইকবাল ওমানের বিরুদ্ধে ধর্মশালায় ৬৩ বলে ১০৩ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। এরপরই পারভেজের জায়গা হয়ে গেল। বাংলাদেশ আমিরশাহির বিরুদ্ধে বোর্ডে শেষ পর্যন্ত ১৯১/৭ বোর্ডে তুলে নেয়।

 

রান তাড়া করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৬৪ রানই বোর্ডে তুলতে পারে আমিরশাহি। ক্যাপ্টেন মুহম্মদ ওয়াসিম ৩৯ বলে ৫৪ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। নিজের ইনিংসে সাতটি বাউন্ডারি ও দুটো ছক্কা হাঁকান তিনি। রাহুল চোপড়া ২২ বলে ৩৫ রান করেন পাঁচটি বাউন্ডারি ও একটি ছক্কার সাহায্য়ে। এছাড়া আসিফ খান ২১ বলে ৪২ রানের ইনিংস খেলেন তিনটি বাউন্ডারি ও চারটি ছক্কার সাহায্য়ে। তবে লোয়ার অর্ডার পুরো ব্যর্থ হওয়ায় জয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছুঁতে পারেনি আমিরশাহি। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্য়ে মুস্তাফিজ, তানজিম, মেহদি ২ উইকেট নেন। হাসান মাহমুদ ৩ উইকেট নেন।