বঢোদরা: বছরের প্রথম ম্যাচেই টিম ইন্ডিয়ার সামনে জয়ের জন্য কড়া চ্যালেঞ্জ। বঢোদরায় টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৩০০ রান তুলল নিউজ়িল্যান্ড। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ, হর্ষিত রানা ও মহম্মদ সিরাজ, ফাস্ট বোলিং ত্রয়ীর প্রত্যেকেই দুইটি করে উইকেট পেলেও দুই ওপেনার এবং ড্যারেল মিচেলের অর্ধশতরানে ভর করেই তিনশোর গণ্ডি পার করল কিউয়িরা (IND vs NZ)।
নাগাড়ে ২০টি টস হারার পর এদিন ভারতীয় দল নাগাড়ে নিজেদের দ্বিতীয় টস জিতেছিল। টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন শুভমন গিল। মাঠে শিশিরের কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানান গিল। তিন ফাস্ট বোলার এবং তিন স্পিনার নিয়ে মাঠে নেমেছিল ভারত। তবে বোলিং নিলেও ভারতীয় বোলাররা নতুন বল হাতে দলকে সাফল্য এনে দিতে পারেননি। শুরুতে খানিকটা দেখেশুনেই তারপর ধীরে ধীরে নিজেদের ইনিংস গড়েন দুই কিউয়ি ওপেনার। ১০.১ ওভারেই তাঁরা ৫০ রানের গণ্ডি পার করে ফেলেন। ২০ ওভারের আগেই তাঁরা শতরানও যোগ করে ফেলেন।
দুই কিউয়ি ওপেনারই ৬০ বলে নিজেদের অর্ধশতরান পূরণ করেন। নতুন বল সাফল্য না পেলেও হর্ষিত নিজের দ্বিতীয় স্পেলে নাগাড়ে দুই ওভারে দুই ওপেনারকে ফেরান। নিকোলস ৬২ ও কনওয়ে ৫৬ রানে সাজঘরে ফেরেন। উইল ইয়ংও বড় রান করতে পারেননি। তাঁকে ১২ রানে ফেরান মহম্মদ সিরাজ। ভাল শুরুর পরেও নিরন্তর ব্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে। দু'শোর গণ্ডি পার করার আগেই আধা কিউয়ি দল সাজঘরে ফিরে যায়।
তবে মিডল অর্ডারের ব্যাটাররা যেখানে তেমন রান পাননি, সেখানে ড্যারেল মিচেল একাই মাঝের ওভারগুলিতে কিউয়িদের ইনিংস আগলে রাখেন। মাত্র ৫১ বলে ৫০ রান পূরণ করেন তিনি। আগ্রাসী মেজাজে ব্যাট করে দলের স্কোর বোর্ড এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন মিচেল। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণের বলে ৪৮তম ওভারে নাগাড়ে ৪, ৬, ৪ মারেন মিচেল। তবে তারপরেই সেই কৃষ্ণর বলেই আউট হয়ে ফেরেন তিনি। শেষের দিকে অবশ্য নিজের অভিষেক ঘটানো ক্রিস ক্লার্ক ২৪ রানের ছোট্ট ইনিংসে কিউয়িদের তিনশো রানের গণ্ডি পার করতে সাহায্য করেন।