মেলবোর্ন: মাত্র ২ দিনেই শেষ বক্সিং ডে টেস্ট। অ্যাশেজ আগেই দখল করে নিতে পেরেছিল অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল। নিয়মরক্ষার দুটো টেস্টের মধ্য়ে বক্সিং ডে টেস্টে শেষ পর্যন্ত জয় ছিনিয়ে নিল ইংল্য়ান্ড ক্রিকেট দল। ৪ উইকেট ম্য়াচ জিতল বেন স্টোকসের দল। ম্যাচে মূলত বোলাররাই দাপট দেখালেন। বিশেষ করে ইংল্য়ান্ড বোলাররাই এগিয়ে ছিলেন এই ম্য়াচে অস্ট্রেলিয়ার বোলিং লাইন আপের থেকে। দলের তরুণ পেস বোলার জস টাং প্রথম ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিলেন, দ্বিতীয় ইনিংসে ২ উইকেট নেন। মোট ৭ উইকেট ঝুলিতে পুরে ম্য়াচের সেরাও নির্বাচিত হয়েছেন জস।
ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ইল্য়ান্ড ক্যাপ্টেন বেন স্টোকস। অস্ট্রেলিয়ার একাদশে এই ম্য়াচে নেই কামিন্স। তাই স্টিভ স্মিথের নেতৃত্বেই ফের খেলতে নেমেছিল অজি শিবির। কিন্তু ব্য়াটিং ব্যর্থতাই কাল হল অস্ট্রেলিয়ার। দলের টপ অর্ডারে কেউই রান করতে পারেননি। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে প্রথম ইনিংসে সর্বোচ্চ রান করেন মাইকেল নেসের। তিনি ৩৫ রানের ইনিংস খেলেন। খাওয়াজা ২৯ ও ক্য়ারি ২০ রান করেন। ১৫২ রানই প্রথম ইনিংসে তুলতে পারে ইংল্য়ান্ড। জবাবে ব্য়াট করতে নেমে ইংল্যান্ড প্রথম ইনিংসে ১১০ রানে অল আউট হয়ে যায়। ইংল্যান্ডের হয়ে প্রথম ইনিংসে হ্যারি ব্রুক ৪১ রানের ইনিংস খেলেন। অ্য়াটকিনসন ২৮ রান করেন। স্টোকস ১৬ রান করেন।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্য়াট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়া ১৩২ রানে অল আউট হয়ে যায়। দলের হয়ে হেড ৪৬ ও স্মিথ ২৪ রানের ইনিংস খেলেন। ইংল্যান্ডের সামনে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৭৫ রানের। যেভাবে দুটো দলের পেসাররা দাপট দেখিয়েছেন ম্যাচে। তাতে ইংল্য়ান্ডের সামনে এই রানও অনেক বড় মনে হচ্ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সিরিজে প্রথম জয় ছিনিয়ে নিল ইংল্য়ান্ড শিবির।
ওপেনিংয়ে নেমেছিলেন জ্যাক ক্রলি ও বেন ডাকেট। ক্রলি ৪৮ বলে ৩৭ রানের ইনিংস খেলেন। ডাকেট ২৬ বলে ৩৪ রানের ইনিংস খেলেন। জো রুট মাত্র ১৫ রানই করেন দ্বিতীয় ইনিংসে। জ্যাকব বেথেল ৪০ রান করেন। দ্বিতীয় ইনিংসে অজি বোলারদের মধ্য়ে স্টার্ক, বোল্যান্ড ও রিচার্ডসন দুটো করে উইকেট নেন।
২০১০-১১ সালে শেষবার অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইংল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করেছিল অ্য়াশেজে। মেলবোর্ন টেস্টে স্মিথরা হেরে যাওয়ায় সেই রেকর্ডের রিপিট টেলিকাস্ট আর হবে না।