সিডনি: তিন ফর্ম্যাটেই তাঁকে বারবার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। কখনও উইকেট পেয়েছেন, কখনও উইকেট পেলেও প্রচুর রান খরচ করেছেন। কিন্তু এরপরও তাঁকে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ওয়ান ডে সিরিজে দলে নেওয়া হয়েছিল। এমনকী প্রথম দুটো ম্য়াচে আহামরি পারফরম্য়ান্স না থাকা সত্ত্বেও তৃতীয় ওয়ান ডে ম্য়াচেও নেওয়া হয়েছে দলে। অর্শদীপ সিংহের মত বোলারকে বসিয়ে হর্ষিতকে সিডনিতে খেলানাে নিয়ে সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছিল ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট ও কোচ গৌতম গম্ভীরকে। কিন্তু কোচের আস্থার মর্যাদা রাখলেন শেষ পর্যন্ত হর্ষিত।
সিডনিতে নিজের ওয়ান ডে ক্রিকেট কেরিয়ারের সেরা স্পেল করলেন হর্ষিত। ৮.৪ ওভারে ৩৯ রান খরচ করে ৪ উইকেট তুলে নিয়েছেন ২২ বছরের তরুণ পেসার। প্রথম দুটো ম্য়াচেও খেলানো হয়েছিল রানাকে। কিন্তু প্রচুর রান খরচ করেছিলেন। অর্শদীপ সিংহ টি-টোয়েন্টি ফর্ম্য়াটে ভারতের সর্বাধিক উইকেট শিকারি। ওয়ান ডে ফর্ম্য়াটেও আগের দুটো ম্য়াচে তাঁর স্যুইংয়ের সামনে নাস্তানাবুদ হতে হয়েছিল অজি শিবিরকে। কিন্তু তৃতীয় ম্য়াচে সেই অর্শদীপকেই বসিয়ে দেওয়া হল। তাঁর পরিবর্তে রানাকে খেলানো নিয়ে সোশ্য়াল মিডিয়ায় অনেকেই গম্ভীরের সমালোচনা করতে থাকেন। আসলে রানাকে দলে বারবার নেওযা নিয়ে অনেক প্রাক্তন ক্রিকেটারও এর আগে গম্ভীরের সমালোচনা করেছিলেন।
এদিন রানা ফিরিয়ে দেন অ্য়ালেক্স ক্যারি, কুপার কনোলি, মিচেল ওয়েন ও জশ হ্যাডেলউডকে। শ্রেয়স আইয়ার পেছনে ছুটে অনবদ্য ক্যাচ লুফে নেন। কুপার কনোলিকেও ফিরিয়ে দেন রানাই। বিরাটের হাতে ক্যাচ দিয়ে ২৩ রান করে ফেরেন কুপার। জশ হ্যাজেলউডকে বোল্ড করে দেন হর্ষিত রানা। এদিকে, হর্ষিত রানার বলে অ্যালেক্স ক্যারির দুরন্ত ক্যাচ লুফেছিলেন। এরপরই চোট পেয়ে গেলেন শ্রেয়স আইয়ার। এমনই চোট পেলেন যে মাঠেই লুটিয়ে পড়েছিলেন শ্রেয়স। তাঁকে ফিজিওরা এসে নিয়ে যান। আদৌ ব্যাট করতে নামবেন কি না শ্রেয়স, তা এখনই বলা যাচ্ছে না।
এমনিতেও চোটের জন্য তৃতীয় ওয়ান ডে থেকে ছিটকে গিয়েছিলেন নীতীশ রেড্ডি। বোর্ডের তরফে বিবৃতিতে জানানো হয়েছিল, 'নীতীশ কুমার রেড্ডি অ্যাডিলেডে দ্বিতীয় ওয়ান ডে ম্যাচে খেলার সময় পেশিতে চোট পান এবং সেই কারণেই তৃতীয় ওয়ান ডেতে নির্বাচনের জন্য উপলব্ধ ছিলেন না। বিসিসিআইয়ের মেডিক্যাল দল প্রতিনিয়ত ওর চোটের দিকে নজর রাখছে। '