ম্যাঞ্চেস্টার: ভারতীয় দল ম্যাঞ্চেস্টারে চতুর্থ টেস্টের (IND vs ENG 4th Test) দ্বিতীয় দিনের শুরুতে খুব একটা প্রভাব ফেলতে পারেনি। এরপর ম্য়াচের দ্বিতীয় সেশন কার্যত একপেশেভাবে নিজেদের নামে করে নিল ইংল্যান্ড। ৩৭ রানে চার উইকেট নিয়ে প্রথমে ভারতীয় দলকে অল আউট করার পর ব্যাটে নেমেও দুরন্ত আগ্রাসী মেজাজে ব্যাটিং করলেন ইংল্যান্ড ওপেনারর। ৫.৫০ রান প্রতি ওভারে ইতিমধ্যেই ৭৭ রান তুলে ফেলেছে ইংল্যান্ড। ডাকেট ৪৩ ও জ্য়াক ক্রলি ৩৩ রানে ব্যাট করছেন।

ভারতীয় দল লাঞ্চের পর ব্যাটে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল। জোফ্রা আর্চাররা দুরন্ত বোলিং করেন। শেষমেশ আর্চার নয় ইংল্যান্ড অধিনায়ক বেন স্টোকসকে সাফল্য এনে দেন। তাও আবার এক নয়, জোড়া সাফল্য। তাঁর বিরুদ্ধে পুল শট মারতে গিয়ে ২৭ রানে আউট হন ওয়াশিংটন সুন্দর। সেই ওভারেই এই ম্যাচে অভিষেক ঘটানো অংশুল কম্বোজকে খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফেরত পাঠান স্টোকস। নিজের পাঁচ উইকেট পূরণ করেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক।

পরিস্থিতি বুঝে পন্থ ব্যাট চালান। স্টোকসকে চার মারেন, আর্চারকে ছক্কা হাঁকান। কার্যত এক পায়ে দাঁড়িয়ে নিজের অর্ধশতরান পূরণ করেন ভারতের তারকা কিপার ব্যাটার। তবে আর্চারের দুরন্ত বলে পন্থের স্টাম্প ভাঙে। ৩৪৯ রানে নবম উইকেট হারায় ভারতীয় দল। সিরাজ ও বুমরা একটি করে চার মেরে ভারতীয় দলকে ৩৫০ রানের গণ্ডি পার করান। তবে বুমরা পুল মারতে গিয়ে আউট হন তিনি। ৩৫৮ রানেই শেষ হয়ে যায় ইনিংস।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকে বেশ কয়েকটি বল মারতে গিয়ে মিস করেন ক্রলিরা। তারপরেই ইংরেজ ওপেনাররা খানিকটা সময় দেখেশুনে খেলেন। তবে সেটা একদমই অল্প। ডাকেট সর্বপ্রথম ভারতীয় বোলারদের পাল্টা চাপ দেওয়া শুরু করে। তারপরেই ক্রলিও তাঁকে সঙ্গ দেন। দুই ওপেনার মিলে ভারতীয় বোলারদের চাপে ফেলেন। যশপ্রীত বুমরাকে নতুন বল হাতে একেবারেই নিষ্প্রভ দেখা যায়। কম্বোজও নতুন বল হাতে পেয়ে তেমন প্রভাব ফেলতে ব্যর্থ হন।

 

১১তম ওভারেই ইংল্যান্ড বিনা উইকেটে অর্ধশতরানের গণ্ডি পার করে ফেলে। তারপরেও ডাকেটরা নিজেদের আগ্রাসী ব্যাটিং চালিয়ে যান। এই দুই ইংরেজ ওপেনারকে পরের সেশনে দ্রুত সাজঘরে ফেরাতে না পারলে কিন্তু ভারতীয় দলের চাপ অনেকটাই বাড়বে।