হেডিংলে: লাঞ্চ বিরতিতেও মনে হচ্ছিল হাতে ৩ উইকেট নিয়ে পাঁচশোর গণ্ডি হয়ত পেরিয়ে যাবে ভারতীয় দল। কিন্তু ভারতের টেল এন্ডাররা পারলেন না। জাডেডা, বুমরা, প্রসিদ্ধ পরপর তিনটি উইকেট পড়ল। ৪৭১ রানেই অল আউট হয়ে গেল ভারতীয় দল। বেন স্টোকসের সঙ্গে বল হাতে ভারতের লোয়ার অর্ডারকে ভাঙলেন জশ টাং। দুজনেই ৪ টি করে উইকেট নিলেন। ১টি করে উইকেট নিলেন ব্রেন্ডন কেয়ার্স ও শোয়েব বশির। এরপর ধীরে ধীরে বেন স্টোকস ও জস টাং বাকি দায়িত্বটা নিলেন।
এদিন মূলত প্রথম দুটো সেশনের নায়ক ছিলেন ঋষভ পন্থ। লাঞ্চের পরেই তিনি আউট হয়ে গেলেও ইংল্য়ান্জের মাটিতে নিজের তৃতীয় শতরান হাঁকিয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরলেন। আর সেঞ্চুরি হাঁকানোর পর সেই চেনা সামার ভল্ট সেলিব্রেশন। প্রথম দিনের শেষে গিল ও পন্ত মাঠ ছেড়েছিলেন অপরাজিত থেকে। মনে করা হয়েছিল খুব সহজেই হয়ত পাঁচশোর গণ্ডি পেরিয়ে যাবে ভারত। এমনকী দুজনে যে ছন্দে দ্বিতীয় দিনে ব্যাটিং শুরু করেছিলেন। মনে হচ্ছিল দ্বিশতরানও হাঁকিয়ে ফেলতে পারেন গিল। তবে ছন্দপতন হল তাঁর ব্যক্তিগত ১৪৭ রানের মাথায়। শোয়েব বসিরের বলে জশ টাংয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান ভারত অধিনায়ক। যদিও তাঁর আগেই পন্থ নিজের সপ্তম টেস্ট সেঞ্চুরিটি হাঁকিয়ে ফেলেছিলেন। গিল নিশ্চিত দেড়শো রানের ইনিংস মাঠেই ফেলে এলেন।
করুণ নায়ার প্রত্য়াবর্তন করেছিলেন জাতীয় দলে আট বছর পর। কিন্তু ব্যাট হাতে শূন্য রানেই ফিরতে হল তাঁকে। খাতাই খুলতে পারলেন না। স্টোকসের শিকার হয়ে ফেরেন প্যাভিলিয়ন। পন্থ ১২টি বাউন্ডারি ও ৬টি ছক্কার সাহায্য়ে ১৩৪ রান করে জশ টাংয়ের বলে লেগবিফোর হয়ে যান তিনি।
ইংল্য়ান্ডের মাটিতে পন্থের তৃতীয় সেঞ্চুরি। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতেও সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন। সেনা কান্ট্রিতে ভারতের মিডল অর্ডারে অন্যতম স্থম্ভ হয়ে উঠেছেন তিনি দিনে দিনে। টেস্টে এমনিতেই তিনি অটোমেটিক চয়েস ভারতীয় দলের। তবে করুণ নায়ারের রান না পাওয়াটাই কিছুটা খারাপ খবর ভারতীয় দলের জন্য়। টানা ভাল পারফরম্য়ান্স করে এসেছিলেন। কিন্তু আসল সময়ই রান পেলেন না। দ্বিতীয় ইনিংসে জ্বলে উঠতে পারবেন? উত্তর সময়ই দেবে।