সিডনি: দুজনেই ব্যর্থ হয়েছিলেন এই সিরিজের প্রথম ম্য়াচটিতে। রোহিত শর্মা (Rohit Sharma) ৮ রান করেছিলেন পারথে, সেই মাঠেই বিরাট কোহলি (Virat Kohli) তো খাতাই খুলতে পারেননি। অ্য়াডিলেডে হিটম্য়ানের ব্যাট থেকে অর্ধশতরান এলেও বিরাট সেদিনও শূন্য রানেই আউট হয়ে ফিরেছিলেন। কিন্তু দুই তারকার জ্বলে ওঠার জন্য ভগবান বোধহয় সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডটাই বেছে নিয়েছিলেন। ঠিক সেটাই হল। সিডনিতে ১৭৩ বলে ১৬৮ রানের পার্টনারশিপ গড়ে তুললেন রো-কো জুটি। ২৩৭ রান তাড়া করতে নেমে ১ উইকেট হারিয়েই জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলে নিল ভারতীয় ক্রিকেট দল।
কাজটা অনেকটা সহজ করে দিয়েছিলেন বোলাররাই। ২৩৬ রানে অস্ট্রেলিয়াকে অল আউট করে দিয়েছিল তারা। হর্ষিত রানা একাই তুলে নিয়েছিলেন ৪ উইকেট। সেখান থেকে ব্যাটারদের কাজটা ছিল ধীরেসুস্থে দলকে নিয়মরক্ষার ম্য়াচে জয় এনে দেওয়া। নজর ছিলই রোহিত ও বিরাটের দিকে। কারণ ২ অভিজ্ঞ ক্রিকেটারই আলোচনার কেন্দ্র ছিলেন শুরু থেকেই। তবুও রোহিত ৭৩ রানের ইনিংস খেলেছিলেন অ্যাডিলেডে। কিন্তু কোহলি তবুও কোনও রানই করতে পারেননি কোহলি প্রথম দুটো ম্য়াচে। তবে সিডনিতে বিরাটও রান পেলেন। শুধু পেলেনই না। অপরাজিত ৭৪ রানের ঝকঝকে ইনিংসও খেললেন। পেরিয়ে গেলেন কুমার সাঙ্গাকারাকে। ওয়ান ডে ক্রিকেটে এই মুহূর্তে দ্বিতীয় সর্বাধিক রানের মালিক বিরাটই। রোহিত ১২১ রানে অপরাজিত থাকলেন। নিজের ইনিংসে রোহিত ১৩টি বাউন্ডারি ও ৩টি ছক্কা হাঁকালেন। কোহলি সাতটি বাউন্ডারি হাঁকালেন। গিল এদিনও ২৪ রানে প্যাভিলিয়নে ফিরলেন। চলতি সিরিজে তিনটি ম্য়াচেই ব্যর্থ হলেন ব্যাট হাতে ভারত অধিনায়ক।
টস জিতে প্রথমে ব্য়াটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অজি অধিনায়ক মিচেল মার্শ। ভারতীয় দলে নীতীশ রেড্ডি চোট পেয়ে ছিটকে যাওয়ায় তাঁর পরিবর্তে দলে ঢুকে পড়েছিলেন কুলদীপ যাদব। এছাড়া অর্শদীপ সিংহকে বসিয়ে খেলানো হয়েছিল প্রসিদ্ধ কৃষ্ণকে। অস্ট্রেলিয়ার ২ ওপেনার মার্শ ও হেড দুরন্ত শুরু করেন। দুজনে মিলে ৬১ রান বোর্ডে তুলেছিলেন মার্শ ও হেড। কিন্তু সেখান থেকে ধীরে ধীরে এক এক করে উইকেট হারাতে থাকেন অজি ব্যাটাররা।