হোবার্ট: টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্য়াচ বৃষ্টির জন্য ভেস্তে গিয়েছিল। এরপর দ্বিতীয় ম্য়াচে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে হারতে হয়েছে সূর্যকুমার যাদবের দলকে। ক্যানবেরাতে বৃষ্টির জন্য ম্য়াচই পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছিল। মেলবোর্নে অজিরা ম্য়াচ জিতে যায়। আগামীকাল ২ নভেম্বর হোবার্টে তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্য়াচ খেলতে নামবে দুই দল।

Continues below advertisement

ওয়ান ডে সিরিজ হারের পর টি-টায়েন্টি সিরিজেও পিছিয়ে থাকা। স্বাভাবিকভাবেই আগামীকালের ম্য়াচে চাপ নিয়েই মাঠে নামতে হবে ভারতীয় দলকে। তবে তাছাড়া মাঠের লড়াইয়ের বাইরে আরও একটি চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে টিম ইন্ডিয়ার জন্য। আর সেটি আবহাওয়ার চ্যালেঞ্জ।

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে আগামীকাল রবিবার তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচের দিন হোবার্টে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য ভাল খবর, বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে মাত্র ১ শতাংশ।

Continues below advertisement

এখনও পর্যন্ত হোবার্টে ভারত-অস্ট্রেলিয়া কোনও টি-টোয়েন্টি ম্য়াচ খেলেনি। একটি ওয়ান ডে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে হোবার্টে আমনে সামনে হয়েছিল দু দল। সেখানে অজিদের বিরুদ্ধে হারতে হয়েছে ভারতকে।

অশ্বিন দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে পরাজয়ের পরেই দাবি করেছিলেন ভারতীয় দলের পরীক্ষা নিরীক্ষা করার হলে অর্শদীপ নয়, বরং বুমরাকে বিশ্রাম দেওয়া উচিত ছিল। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে অশ্বিনকে বলতে শোনা যায়, 'যদি পরীক্ষা নিরীক্ষা করতেই হয়, তাহলে বুমরাকে বিশ্রাম দাও। বুমরার তো ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের বিষয় রয়েছেতাই বুমরাকে বিশ্রাম দেওয়াই যায়।' তিনি আরও যোগ করেন, 'দেখুন অর্শদীপ দলের সর্বাধিক উইকেটসংগ্রাহক। আমরা যেসময় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলব, তখন শিশির পড়তে শুরু করে দেবে। তবে অর্শদীপকে নিয়ে এই আলোচনা চওয়াটাই দুঃখজনকনিঃসন্দেহেই দলে ওর জায়গা পাওয়াটা প্রাপ্য।'

অশ্বিনের মতে বুমরার পরে অর্শদীপই দলের সেরা বোলার। ২০২৪ বিশ্বকাপে অর্শদীপের পারফরম্যান্সের পরেও তাঁকে যেভাবে দলের বাইরে রাখা হচ্ছে, সেটা হতাশাজনক। 'আমার বক্তব্য হল বুমরা খেললে বোলিংয়ের দিক থেকে অর্শদীপের নামটা দলে দ্বিতীয় নাম হওয়া উচিত। বুমরা না খেললে, তখন অর্শদীপই ওই দলের প্রথম পছন্দের বোলার হওয়া উচিত।'

টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচেও একাদশে ছিলেন অর্শদীপ। দ্বিতীয় ম্য়াচেও তাঁর পরিবর্তে হর্ষিতকেই সুযোগ দেওয়া হয়েছে। বল হাতে রানা কোনও আহমরি পারফর্ম করতে না পারলেও ব্যাট হাতে ৩৫ রান করেছেন। তবে রানার মূল দায়িত্ব তো বল হাতে উইকেট নেওয়া। সেই কাজটিই তিনি পারছেন না।