ব্রিসবেন: পাঁচ ম্য়াচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম চারটি ম্য়াচের পর সিরিজে এই মুহূর্তে ভারতীয় ক্রিকেট দল ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। প্রথম ম্য়াচ বৃষ্টিতে ভেস্তে যাওয়ার পর দ্বিতীয় ম্য়াচে অস্ট্রেলিয়া জয় ছিনিয়ে নেয়। এরপর তৃতীয় ও চতুর্থ ম্য়াচ জিতে সিরিজে এগিয়ে গিয়েছে টিম ইন্ডিয়া। আগামী ৮ নভেম্বর ব্রিসবেনের গাব্বায় সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টি ম্য়াচে খেলতে নামবে ২ দল।
সিরিজে এগিয়ে থাকলেও ব্রিসবেনে ভারতীয় দলের রেকর্ড কিন্তু একেবারেই আশানুরুপ নয়। গাব্বায় এখনও পর্যন্ত মাত্র একটি টি-টোয়েন্টি ম্য়াচ খেলেছে ভারত। ২০১৮ সালে বিরাট কোহলির ক্যাপ্টেন্সিতে সেই ম্য়াচে চার রানে হেরে গিয়েছিল টিম ইন্ডিয়া। সেটিও ছিল বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্য়াচ। সেদিনের ম্য়াচে অস্ট্রেলিয়া ১৭ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৫৮ রান বোর্ডে তুলেছিল। গ্লেন ম্য়াক্সওয়েল সর্বােচ্চ ৪৬ রান করেছেন। বৃষ্টির জন্য ডিএলএস মেথড অনুযায়ী ১৭৪ রান লক্ষ্যমাত্রা দাঁড়ায়। জবাবে ভারতীয় দল ৭ উইকেট হারিয়ে বোর্ডে ১৬৯ রান তুলেছিল। শিখর ধবন ৭৬ রানের ইনিংস খেলেছিলেন।
অস্ট্রেলিয়া এই মাঠে এখনো পর্যন্ত আটটি টি-টোয়েন্টি ম্য়াচ খেলেছে। তার মধ্যে সাতটি ম্য়াচে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে অজিরা। ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত কুড়ির ফর্ম্য়াটে দু দেশের মুখোমুখি মহারণে ৩৪ ম্য়াচের মধ্যে ভারত এগিয়ে রয়েছে। ২০ ম্য়াচে ভারত জিতেছে। ১২ ম্য়াচ জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। দুটো ম্য়াচের কোনও ফল বেরয়নি।
বৃহস্পতিবার ৪৮ রানে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে দিল ভারত। প্রথমে ব্যাট করে ভারত তুলেছিল ১৬৭/৮। জবাবে মাত্র ১১৯ রানে অল আউট হয়ে গেল অস্ট্রেলিয়া। ম্যাচ জেতার পর দলকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত সূর্যকুমার। ভারত অধিনায়ক কৃতিত্ব দিচ্ছেন ব্যাটারদের। বিশেষ করে অভিষেক শর্মা ও শুভমন গিলের ওপেনিং জুটিকে। যাঁরা ৪০ বলে ৫৬ রানের পার্টনারশিপ গড়েছিলেন। খেলার শেষে ভারতীয় দলের ক্যাপ্টেন সূর্যকুমার বলেছেন, 'প্রত্যেক ব্যাটারকে কৃতিত্ব দিতে হবে। বিশেষ করে অভিষেক শর্মা ও শুভমন গিলকে। যেভাবে ওরা পাওয়ার প্লে-তে খেলা শুরু করেছিল, দারুণ। এটা যে দুশোর বেশি স্কোর করার মতো উইকেট নয়, সেটা ওরা দ্রুত বুঝে গিয়েছিল। প্রত্যেকে অবদান রেখেছে। ব্যাটে এটা একেবারে দলগত সাফল্য। বাইরে থেকেও পরিষ্কার বার্তা দেওয়া ছিল। আমি আর গৌতি ভাই একমত ছিলাম।' ওয়ান ডে সিরিজে হারের পর এই সিরিজ জয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভারতের জন্য়।