নটিংহ্যাম: ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে শতরান হাঁকিয়েছেন স্মৃতি মন্ধানা। দলও জয় ছিনিয়ে নিয়েছে। শুধু শতরান হাঁকানোই নয়। রেকর্ডও গড়েছেন বাঁহাতি ভারতীয় ওপেনার। তবে টি-টোয়েন্টি ফর্ম্য়াট নাকি তাঁর স্বাচ্ছন্দ্যের ফর্ম্য়াট না। তাই এই ফর্ম্য়াটে সেঞ্চুরি হাঁকাতে পারাটা স্পেশাল বলে মনে করছেন স্মৃতি। 

৬২ বলে ১১২ রানের ইনিংস খেলেছিলেন স্মৃতি। নিজের ইনিংসে ১৫টি বাউন্ডারি ও তিনটি ছক্কা হাঁকান ভারতীয় ওপেনার। স্মৃতি বলছেন, ''আমার জন্য এই সেঞ্চুরিটি সত্যিই খুব স্পেশাল। আমি এই ফর্ম্য়াটে এখনও নিজে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতে পারিনি। নিজেকে প্রতিনিয়ত এই ফর্ম্য়াটের জন্য় তৈরি করছি। আরও কীভাবে উন্নতি করা যায়স সেদিকেই আমার খেয়াল থাকে। সেখানে সেঞ্চুরি হাঁকাতে পারলাম, এটা খুবই ইতিবাচক দিক।''

প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দল ২১০ রান বোর্ডে তুলেছিল। যা তাড়া করতে নেমে ১৪.৫ ওভারে ১১৩ রানে অল আউট হয়ে যায় ইংল্যান্ড শিবির। ভারতীয় দল ৯৭ রানে জয় ছিনিয়ে নেয়।

প্রথম ভারতীয় ও পঞ্চম মহিলা ক্রিকেটার হিসাবে তিন ফর্ম্যাটেই শতরান হাঁকানোর কৃতিত্ব গড়লেন স্মৃতি মান্ধানা। তিনি টেস্টে দুইটি এবং ওয়ান ডেতে আগেই ১১টি শতরান হাঁকিয়েছিলেন। এবার আন্তর্জাতিক বিশ ওভারের ক্রিকেটেও সেঞ্চুরি এল তাঁর ব্যাট থেকে। ম্য়াচের দিন টস হেরে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ইংল্যান্ড ন্যাট সিভার-ব্রান্ট। ব্যাটে নেমে মান্ধানা ও শেফালি বর্মা শুরুটা বেশ ভালই করেন। শেফালিকে ডিআরএসের সুবাদে জীবনদানও পান। পাওয়ার প্লেতেই বিনা উইকেটে ৪৭ রান তোলে। তবে একদিকে মান্ধানা যেমন ভাল ছন্দে খেলছিলেন, অপরদিকে সেখানে শেফালিকে কিন্তু তেমন ছন্দ দেখাচ্ছিল না। শেষমেশ রান বাড়ানোর প্রচেষ্টায় মিড অফে ক্যাচ দিয়ে ২০ রানে সাজঘরে ফেরেন তিনি। তবে তিন নম্বরে ব্যাটে নামা হরলীনের ক্ষেত্রে এমন কোনও সমস্যা হয়নি।

হরলীনের ব্যাটিং দেখে মনে হচ্ছিল তিনি যেন সাজঘর থেকেই সেট হয়ে নেমেছিলেন। ইংল্যান্ড স্পিনারদের বিরুদ্ধে তিনি স্যুইপ মারার পরিকল্পনা বেছে নেন। একের পর এক বল স্যুইপ মেরে বাউন্ডারি লাইনের বাইরে পাঠাচ্ছিলেন তিনি। ২৭ বলে নিজের অর্ধশতরান পূরণ করেন স্মৃতি মান্ধানা। ২৪ বলে তাঁর ও হরলীনের অর্ধশতরানের পার্টনারশিপ পূরণ হয়।

স্মৃতি ভারতীয় দলের সহ অধিনায়কও। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে এই মুহূর্তে ভারতের পুরুষ দলও খেলছে টেস্ট সিরিজ।