মিউনিখ: আচমকা হাসপাতালে ভর্তি হলেন সূর্যকুমার যাদব। নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি পোস্ট করে জানালেন সে কথা। যা দেখে উদ্বিগ্ন ক্রিকেটপ্রেমীরা। কী হয়েছে ভারতের টি-২০ দলের অধিনায়কের?
স্পোর্টস হার্নিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিলেন স্কাই। জার্মানির একটি হাসপাতালে সফল স্পোর্টস হার্নিয়া অস্ত্রোপচার হয়েছে তাঁর। এই বিষয়ে সূর্য সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি পোস্ট করে অস্ত্রোপচারের পর তাঁর শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়েছেন। ৩৪ বছর বয়সী সূর্যকুমার যাদব ভারতীয় ক্রিকেট দলের টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক। রোহিত শর্মার অবসরের পর বিসিসিআই (BCCI) সূর্যকে টি-টোয়েন্টি দলের দায়িত্ব দেয়।
সূর্যকুমার যাদব সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, "জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ আপডেট, পেটের নীচের ডান দিকে স্পোর্টস হার্নিয়ার অস্ত্রোপচার হয়েছে। আমি জানাতে পেরে খুশি যে, সফল অস্ত্রোপচারের পর আমি সুস্থ হওয়ার পথে রয়েছি। ক্রিকেট মাঠে ফেরার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।"
কবে ফিরবেন সূর্যকুমার যাদব?
ভারতীয় ক্রিকেট দল এই মুহূর্তে ইংল্যান্ডে রয়েছে, যেখানে ৫ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলা হচ্ছে। এরপর দল অগাস্ট মাসে বাংলাদেশ সফরে ওয়ান ডে এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে। প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি ২৬ এবং শেষ ম্যাচটি ৩১ অগাস্টে অনুষ্ঠিত হবে। সম্ভবত, সূর্য এই সফরে নাও যেতে পারেন। স্পোর্টস হার্নিয়ার অস্ত্রোপচারের পর সেরে উঠতে ৬ থেকে ১২ সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগে।
টি-টোয়েন্টিতে পরবর্তী বড় ইভেন্টটি আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে, ভারত ও শ্রীলঙ্কায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ২০২৬ সালে যে আসর ফেব্রুয়ারি-মার্চে অনুষ্ঠিত হবে। এতে মোট ২০টি দল খেলবে। সূর্য এই বিশ্বকাপে ভারতীয় দলের নেতৃত্ব দেবেন।
সূর্যকুমার যাদবের আন্তর্জাতিক কেরিয়ার
সূর্যকুমার যাদব ভারতের হয়ে ১টি টেস্ট, ৩৭টি ওয়ান ডে এবং ৮৩টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। ওয়ান ডে এবং টি-টোয়েন্টিতে তিনি যথাক্রমে ৭৭৩ এবং ২৫৯৮ রান করেছেন। ওয়ান ডে-তে সূর্য ৪টি অর্ধশতরান করেছেন, তবে তাঁর কোনও সেঞ্চুরি নেই। টি-টোয়েন্টির কথা বললে, সূর্য এই ফর্ম্যাটে ৪টি সেঞ্চুরি এবং ২১টি অর্ধশতরান করেছেন।
অপারেশনের আগে সূর্য আইপিএলে খেলছিলেন, যেখানে তাঁর ব্যাট ভালই চলছিল। তিনি ১৬ ইনিংসে ৭১৭ রান করেন, যার মধ্যে ৫টি অর্ধশতরানের ইনিংস ছিল। সূর্য ২০১৮ সাল থেকে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। তাঁর আইপিএল অভিষেক এই ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়েই ২০১২ সালে হয়েছিল, তবে এরপর তিনি ৪ বছর কেকেআরের হয়ে খেলেছিলেন।